৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগের চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। কিন্তু, তাতেও কুছ পরোয়া নেই। ফ্রান্স থেকে আরও ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে মোদি সরকার। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এবং সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের সূত্রের অন্তত এমনটাই দাবি। শোনা যাচ্ছে, দাসাল্ট অ্যাভিয়েশনকে আরও ৩৬টি যুদ্ধবিমান কেনার বরাত দিতে চলেছে ভারত। আগামী বছরের শুরুর দিকেই বর্তমান চুক্তির সঙ্গে নতুন চুক্তি জুড়ে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই চুক্তির শর্তও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: হাতিয়ার ৩৭০ ধারা, দুই রাজ্যে মোদি ঝড়ের আশায় বিজেপি]

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই ভারতের হাতে প্রথম রাফালে যুদ্ধবিমান তুলে দিয়েছে ফ্রান্সের সংস্থা দাসাল্ট অ্যাভিয়েশন। বৃহস্পতিবার বায়ুসেনার ডেপুটি চিফ মার্শালের হাতে যুদ্ধবিমানটি তুলে দেয় প্রস্তুতকারী সংস্থা। আগামী বছরের মধ্যেই ৩৬টি যুদ্ধবিমান ভারতের হাতে তুলে দেবে ফ্রান্সের সংস্থা। তারপরই ভারত এবং ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে ভারতের মাটিতে এই যুদ্ধবিমান তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু, এরই মধ্যে নতুন করে ভারত ৩৬টি বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, দেশের মাটিতে রাফালে তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাইছে না সরকার। দেশের নিরাপত্তার দিকে গুরুত্ব দিয়েই আরও বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকে অবশ্য কটাক্ষ করছেন। তাদের বক্তব্য, দেশের মাটিতে যে রাফালে তৈরি হওয়ার কথা সরকারের ব্যর্থতায় তা নির্ধারিত সময়ে হবে না। আর তা বুঝতে পেরেই ফের কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিমান কিনতে হচ্ছে ভারতকে।

[আরও পড়ুন: চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে আনা হল না ধর্ষণের অভিযোগ, চরম হতাশ নির্যাতিতা ছাত্রী]

২০১৬-র সেপ্টেম্বর মাসে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনার পর ভারত রাফালে যুদ্ধবিমান তৈরির দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ফরাসি সংস্থা দাসাল্ট অ্যাভিয়েশনকে। রাফালে যুদ্ধবিমানটি দূরপাল্লায় একইসঙ্গে যুদ্ধাস্ত্র এবং মিসাইল বহনে সক্ষম। চুক্তি অনুযায়ী, ৩৬টি উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন যুদ্ধবিমান কিনতে ভারতকে দিতে হবে ৫৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু, এই চুক্তি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, রাফালে চুক্তিতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সরকারি সংস্থা হ্যালকে বাদ দিয়ে, অনিল আম্বানির সংস্থাকে বেআইনিভাবে বরাত দিয়েছে মোদি সরকার। সেই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং