Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Derek O Brien

‘জোটের দুই শত্রু’, একযোগে অধীর ও বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের

'প্রত্যেকদিন তৃণমূল ও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে চলেছেন', অধীরকে একহাত নিলেন ডেরেক ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৪, ১৫:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৪, ১৫:৪১

options
link
‘জোটের দুই শত্রু’, একযোগে অধীর ও বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের zoom

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ও তৃণমূলের জোটে জট যেন কাটছেই না। এই পরিস্থিতিতে আপাতত ‘একলা চলো’র বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যদিও কংগ্রেস এখনই হাল ছাড়তে নারাজ। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বারবার মমতার উদ্দেশে সুর নরম করে বার্তা দিচ্ছেন। কিন্তু মূল সমস্যা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। তিনিই আসন সমঝোতার প্রশ্নে কঠিন মনোভাব বজায় রাখছেন। এবার সরাসরি জোট ভেস্তে যাওয়ার জন্য তাঁকেই নিশানা করলেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও ব্রায়েন(Derek O Brien)। বললেন, জোটের দুই শত্রু। এক, অধীর, দুই বিজেপি (BJP)। ডেরেকের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কংগ্রেস কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর প্রশ্ন, ”জোটের জট কেন এতদূর গড়াতে দিলেন? অধীরকে আগেই আটকালে পারতেন।” 

দিল্লিতে জোট নিয়ে বৃহস্পতিবার ডেরেক ও ব্রায়েন সাংবাদিকদের মুখোমুখি সাফ অধীররঞ্জন চৌধুরীকে দায়ী করলেন জোট জটের জন্য। তাঁর কথায়, ”জুনে পাটনায় INDIA জোট বৈঠকের পর ১৮০ দিন অতিবাহিত। আমরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছি। জোটের সব শর্ত মেনেছি। আসন ভাগাভাগির জন্য তারা ১২ দিন সময় চাইল। আমরা তা-ও দিলাম। এখন ২১০ দিন অতিবাহিত। এর মধ্যে প্রত্যেকদিন অধীর চৌধুরী তৃণমূল ও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে চলেছেন। ইডি, সিবিআই নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে চলেছেন। সাংবাদিক বৈঠক করে বক্তব্যে শুধুই তৃণমূল বিরোধিতা।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: অবসর ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘প্রত্যাবর্তন’, কী বলছেন মেরি কম?]

এর পরই তাঁর বক্তব্য, INDIA জোট দু’জনকে নিয়ে চিন্তিত। এক, বিজেপি, দুই, অধীর। মোদি-শাহর কথা শোনা যাচ্ছে অধীরের গলায়। আর সেখানেই বাংলায় কংগ্রেসকে নিয়ে আপত্তি তৃণমূলের। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফর্মুলা অনুযায়ী, যে রাজ্যে যে আঞ্চলিক দল সবচেয়ে শক্তিশালী, তাদেরই লোকসভা নির্বাচনে  (Lok Sabha Election 2024) লড়াই করতে দেওয়া হোক। কিন্তু কংগ্রেস বাংলায় আরও বেশি আসনে লড়াই করতে চায়। আর দুটি আসন ছাড়া কংগ্রেসকে আসন ছাড়তে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়েই মূল দ্বন্দ্ব। তবে তৃণমূলের তরফে মোটের উপর একা লড়াইয়ের বার্তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও তৃৃণমূল নেত্রীর মন গলাতে চেষ্টা করে চলেছে দিল্লির কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিনও জয়রাম রমেশের বক্তব্য, মমতা জোটের অন্যতম বড় শক্তি। তিনি থাকলে শক্তি বাড়বে।

[আরও পড়ুন: ১৫ দিনের মধ্যে করতে হবে আত্মসমর্পণ, জামিন পেয়েও অস্বস্তি কাটল না নিশীথের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.