Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
Mohenjo-daro's 'Dancing Girl'

কালো রঙে ঢাকা পড়ল মহেঞ্জোদারোর ‘ডান্সিং গার্ল’, এনসিইআরটি-র বইয়ে জোর বিতর্ক

‘ডান্সিং গার্ল’ বা নৃত্যরতা অনাবৃত নারীমূর্তিটি সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম পরিচিত নিদর্শন। কিন্তু একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এনসিইআরটি-র ‘মধুরিমা’ নামের শিল্পকর্মের বইটিতে ‘হিস্ট্রি অফ আর্টস’ অধ্যায়ে মূল নারীমূর্তিটিকে একটি কালো স্তরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে মূর্তিটির মূল ভাস্কর্য, নারীমূর্তিটির শারীরিক গঠনের খুঁটিনাটি শিল্পকর্ম কোনও কিছুই আর দেখা যাচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
কালো রঙে ঢাকা পড়ল মহেঞ্জোদারোর ‘ডান্সিং গার্ল’, এনসিইআরটি-র বইয়ে জোর বিতর্ক zoom
(বাঁ দিকে) এনসিইআরটি-র পাঠ্যবইয়ে নৃত্যরতা নারীমূর্তিটির বিকৃত ছবি। নৃত্যরতা নারীমূর্তিটির আসল ছবি (ডান দিকে)।

মহেঞ্জোদারোর নৃত্যরতা সেই নারীর ছবি অতিপরিচিত। ছোটবেলার ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে বারবার তা ভেসে উঠেছে। এবার এনসিইআরটি-র নবম শ্রেণির বইয়ে সেই ছবিই ঢাকা পড়ল কালো রঙে। ছবিটিকে ‘বিবৃত’ করার জন্য ইতিমধ্যেই জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

‘ডান্সিং গার্ল’ বা নৃত্যরতা অনাবৃত নারীমূর্তিটি সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম পরিচিত নিদর্শন। কিন্তু একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এনসিইআরটি-র ‘মধুরিমা’ নামের শিল্পকর্মের বইটিতে ‘হিস্ট্রি অফ আর্টস’ অধ্যায়ে মূল নারীমূর্তিটিকে একটি কালো স্তরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে মূর্তিটির মূল ভাস্কর্য, নারীমূর্তিটির শারীরিক গঠনের খুঁটিনাটি শিল্পকর্ম কোনও কিছুই আর দেখা যাচ্ছে না। যদিও এনসিইআরটি-র ষষ্ঠ শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে ব্রোঞ্জমূর্তিটির ছবি অপরিবর্তিত রয়েছে। এরপরই জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কোন যুক্তিতে নারীমূর্তিটির ছবি ‘বিকৃত’ করা হল? 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইতিহাসবিদ ও লেখক মিশেল ড্যানিনো, যিনি এনসিইআরটি-র ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন সামাজ বিজ্ঞানের পাঠ্যবই তৈরির কমিটির প্রধান ছিলেন, তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে নাকি উচ্চমহল থেকে বলা হয়েছিল, ওই নৃত্যরতা নারীমূর্তিটির ছবি শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপযুক্ত। ছোটদের এধরনের অনাবৃত মূর্তি দেখানো সঠিক নয়। মিশেল জানান, তিনি এবং তাঁর টিম এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নয়। শুধু তা-ই নয়, কমিটি যে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে পরামর্শ করেছিল, তাঁরাও ওই ছবি নিয়ে কোনও উদ্বেগ প্রকাশ বা আপত্তি জানাননি।

সংবাদ সংস্থা ‘পিটিআই’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশেলের যুক্তি, নগ্নতাকে অনুপযুক্ত মনে করা ‘ভিক্টোরিয়ান জমানার দৃষ্টিভঙ্গি’। এর মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা যায় না। শুধু তা-ই নয়, এটি ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে ঔপনিবেশিক প্রভাবমুক্ত করার প্রচেষ্টারও পরিপন্থী। তাঁর কথায়, “ছবিটিতে পরিবর্তন আনা মানে মূল শিল্পকর্মটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা।” গোটা বিতর্কে এনসিইআরটি-র তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

প্রসঙ্গত, এই নারীমূর্তিটি পরীক্ষা করেই প্রত্নতাত্ত্বিকরা সিন্ধু সভ্যতায় ধাতুর ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত হন। শুধু তা-ই নয়, সেই সভ্যতায় সমাজে নারীর অবস্থান কেমন ছিল, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা জানা যায়। তাই ব্রোঞ্জের তৈরি এই নারীমূর্তিটি ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.