Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Congress

দলীয় নেত্রীকে হেনস্তা, যুব কংগ্রেসের সভাপতির বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের দাবি মহিলা কমিশনের

অসমের ডিজিপিকে চিঠি মহিলা কমিশনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৩, ১৩:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৩, ১৩:০৯

options
link
দলীয় নেত্রীকে হেনস্তা, যুব কংগ্রেসের সভাপতির বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের দাবি মহিলা কমিশনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেসের যুব নেতার বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের আরজি জাতীয় মহিলা কমিশমনের (NCW)। যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতির বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন দলেরই এক নেত্রী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে অসম পুলিশকে তদন্তের পরামর্শ দিল মহিলা কমিশন। ইতিমধ্যে তাঁকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনেক তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলা কংগ্রেস কর্মীর অভিযোগ তুলে ধরেছেন।

জানা গিয়েছে. জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা ইতিমধ্যে অসম পুলিশের ডিজিপিকে চিঠি লিখেছেন। তাঁক ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখার জন্য আরজি জানিয়েছেন তিনি। সঠিকভাবে দ্রুত তদন্ত শেষের কথাও জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে অসম পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক মমতার! স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় পঞ্চায়েত কর্মীরাও]

যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি শ্রীনিবাস বিভি ও সম্পাদক বর্ধন যাদবের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ আনলেন অসমের (Assam) যুব কংগ্রেস সভাপতি অঙ্কিতা দত্ত। তাঁর দাবি, এবিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েও লাভ হয়নি। খোদ রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) ভারত জোড়ো যাত্রায় বিষয়টি নিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন বলে দাবি অঙ্কিতার। কিন্তু এরপরও হাই কমান্ড যেভাবে নিষ্ক্রিয়তা দেখিয়েছে তাতে তিনি বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় অঙ্কিতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, রায়পুরের প্লেনারি অধিবেশনের সময় শ্রীনিবাস তাঁকে ‘এই মেয়েটা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন, ড. দত্ত কিংবা সভাপতি বলে নয়।

পরে তিনি নাকি অঙ্কিতার কাছে জানতে চান, “কী খাও তুমি? ভদকা খাও?” অঙ্কিতা জানাচ্ছেন, “আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। এতটাই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম যে কথা বলতে পারিনি।” তাঁর অভিমানে ভরা মন্তব্য, ”আমার ঠাকুরদা, বাবা ও আমি- আমরা সবাই কংগ্রেস সভাপতি থেকেছি এই রাজ্যে। আমি কোনও ভাবেই দল ছাড়তে চাই না। চাইলে আমাদের ছুঁড়ে ফেলা হোক, কিন্তু তখনও দলকেই ভালবাসব।”

[আরও পড়ুন: গরমে বিশ্ব রেকর্ড বাংলার! পৃথিবীর সপ্তম উষ্ণতম শহর বাঁকুড়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.