Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
NDA

এখনই ভোট হলে বহু আসন কমবে NDA’র, গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আঞ্চলিক দলগুলি, বলছে সমীক্ষা

বিজেপির আসন কমলেও মোদির জনপ্রিয়তা অটুট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৩, ১০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৩, ১০:০২

options
link
এখনই ভোট হলে বহু আসন কমবে NDA’র, গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আঞ্চলিক দলগুলি, বলছে সমীক্ষা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha 2024) আর ঠিক ১৫ মাস বাকি। ধীরে ধীরে শাসক বিরোধী দুই শিবিরই ঘর গোছাতে শুরু করেছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছে ২০২৪ লোকসভাতেও নরেন্দ্র মোদিই (Narendra Modi) এনডিএ শিবিরের প্রধানমন্ত্রীর মুখ হতে চলেছে। দলের সভাপতি পদে জেপি নাড্ডার কার্যকালের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবির একাধিক জনসংযোগ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কিন্তু এসব প্রস্তুতির মধ্যেই একটি সমীক্ষার তথ্য খানিকটা খচখচানির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপির জন্য।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে দেশে নির্বাচন হলে অনেকটাই কমবে বিজেপি তথা এনডিএ জোটের আসনসংখ্যা। ২০১৯ লোকসভায় যেখানে এনডিএ (NDA) জোট ৩৪০টির বেশি আসন পেয়েছিল। সেখানে এই মুহূর্তে ভোট হলে এনডিএ জোটের আসন সংখ্যা নেমে আসতে পারে তিনশোর নিচে। ২৯৮টি আসনে জিততে পারে তাঁরা। দল হিসাবে বিজেপির আসন সংখ্যাও অনেকটা কমতে পারে। তারা ২৮৪টি আসনে জয়ের মতো জায়গায় দাঁড়িয়ে। অন্যদিকে কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোটের আসনসংখ্যা অনেকটাই বাড়তে পারে। ২০১৯ লোকসভায় যেখানে ইউপিএ (UPA) পেয়েছিল ৯০টির কিছু বেশি আসন সেখানে এই মুহূর্তে ভোট হলে তাঁরা পেতে পারে ১৫৩ আসন। শুধু কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ৯১টি আসন। অন্যান্যদের ৯২টি আসনে জয়ের সম্ভাবনা আছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাহুলকে ২.১৭ কোটি টাকার BMW উপহার বিরাটের, আর কে কী দিলেন?]

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ৯ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা অটুট। এখনও দেশের ৬৭ শতাংশ মানুষ চাইছেন মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী হন। তবে সব মিলিয়ে ২০১৯ সালের তুলনায় ভোট কমছে বিজেপির। এখনই ভোট হলে এনডিএ পেতে পারে ৪৩ শতাংশ ভোট। যা ২০১৯ লোকসভার থেকে ২ শতাংশ কম। অন্যদিকে এখনই ভোট হলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএর ভোট শতাংশ বাড়তে পারে। ইউপিএ পেতে পারে ৩০ শতাংশ ভোট। অন্যান্যরা পেতে পারে ২৭ শতাংশ ভোট।

[আরও পড়ুন: ফেডারেশনের অচলাবস্থার মধ্যেই স্বস্তি রেসলারদের, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় খেলার অনুমতি কেন্দ্রের]

তাৎপর্যপূর্ণভাবে লোকসভা ভোট এখনও ১৫ মাস বাকি। বিরোধীরা বলছে, ভোট যত এগিয়ে আসবে সরকার বিরোধী ক্ষোভ তত বাড়বে। আর সেটাকে বিজেপির বিরুদ্ধে কাজে লাগানো যাবে। সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ হবে অন্যান্য দলগুলি। যদি বিজেপি বিরোধী সব দলকে একত্রিত করে যোগ্য কাউকে নেতা হিসাবে মোদির সামনে দাঁড় করানো যায়, তাহলে চাপে পড়তে পারে বিজেপি। এই মুহূর্তে মোদি বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) থেকে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা। ২৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে মোদির চ্যালেঞ্জার হতে পারেন কেজরিওয়াল। ২০ শতাংশ মানুষ মনে করেন কাজটি করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.