Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Himanta Biswa Sarma

‘একা মোদির পক্ষে দেশ বদলানো অসম্ভব, তাঁর মতো আরও আইকন চাই’, দাবি হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার নিন্দা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২২, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২২, ১৪:৪৮

options
link
‘একা মোদির পক্ষে দেশ বদলানো অসম্ভব, তাঁর মতো আরও আইকন চাই’, দাবি হিমন্ত বিশ্ব শর্মার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটা‌ল ডেস্ক: দেশকে তিনি একটা উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাইছেন। কিন্তু তিনি একা কী করবেন? দিনের শেষে তো তিনি একা। একজন মোদির (PM Modi) পক্ষে গোটা দেশকে বদলানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন তাঁরই মতো আরও কয়েকজন আইকনকে। তাহলেই ভারত হয়ে উঠবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দেশ। শিলচরে অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)।

শুক্রবার ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হিমন্ত ছিলেন প্রধান অতিথি। সেখানেই তাঁকে ব‌লতে শোনা যায়, ‘‘একজন মোদির পক্ষে দেশকে পালটে ফেলা সম্ভব নয়। তাঁর মতো আরও অনেককে প্রয়োজন।’’ দেশকে সেরা বানাতে বেশ কয়েকজন মোদি প্রয়োজন, একথা বলার পাশাপাশি তিনি সমালোচনা করেন দেশে শিক্ষাব্যবস্থার। তাঁর মতে, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় পুরোদস্তুর প্রভাব রয়েছে পশ্চিমি সংস্কৃতির। এর ফলে পড়ুয়ারাও স্বার্থপর হয়ে উঠছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রক্ষকই ভক্ষক! দু’বছর ধরে বাবা ও দাদার যৌন লালসার শিকার কিশোরী!]

এবিষয়ে ঠিক কী বলেছেন তিনি? তাঁর কথায়, ‘‘আমরাই বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন সভ্যতা। কিন্তু স্বাধীনতার পর দেশ পশ্চিমি সংস্কৃতিকে গ্রহণ করল। এর ফলে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্বার্থপর হয়ে উঠছে। পড়াশোনা শেষ করে সুযোগসন্ধানী হয়ে পড়ছে তারা।’’ দেশের প্রাচীন গুরুকুল ব্যবস্থার পক্ষে সওয়াল করে হিমন্তর দাবি, ওই ব্যবস্থাতেই সঠিক উন্নতি হত পড়ুয়াদের। সেই শিক্ষাব্যবস্থাই ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।

এদিকে অসমের পড়ুয়াদের আগামিদিনে উদ্যোগপতি হয়ে ওঠার দাবি জানান হিমন্ত। তাঁর আক্ষেপ, ‘‘সাধারণ প্রয়োজন মেটাতেও অসমকে অন্য রাজ্যের মুখাপেক্ষী থাকতে হয়। আমরা ব্যবহারের চেয়ে বেশি রপ্তানি না করতে পারলে কখনও গুজরাট ও রাজস্থানের মতো শক্তিশালী রাজ্য হতে পারব না। তাই পড়ুয়াদের পড়াশোনা শেষ করেই চাকরি খোঁজার জন্য না দৌড়ে কী করে মালিক হয়ে ওঠা যায় সেই চেষ্টা করতে হবে।’’

[আরও পড়ুন: ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, ইন্ডিয়া গেটে বসছে নেতাজির গ্রানাইট মূর্তি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.