Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bengaluru

নার্সের সঙ্গে পরকীয়ার পরই স্ত্রীকে খুন! প্রেমিকাকে চিকিৎসকের মেসেজ, ‘পুলিশকে বোলো আমরা স্রেফ বন্ধু’

'কোনও প্রমাণ রাখিনি, তবু জেলে আমাকে যেতেই হবে', কেন এমন লিখেছিলেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
নার্সের সঙ্গে পরকীয়ার পরই স্ত্রীকে খুন! প্রেমিকাকে চিকিৎসকের মেসেজ, ‘পুলিশকে বোলো আমরা স্রেফ বন্ধু’ zoom
দু'জনের বিয়ে হয়েছিল ২০২৪ সালের মে মাসে।

দু’জনের বিয়ে হয়েছিল ২০২৪ সালের মে মাসে। পেশায় দু’জনই চিকিৎসক। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মৃত্যু হয় স্ত্রীর। খুনে অভিযুক্ত স্বামী। তিনি শল্য চিকিৎসক। ঘটনা গত এপ্রিলের। কিন্তু সম্প্রতি সামনে এসেছে প্রেমিকার সঙ্গে ‘গুণধর’ স্বামীর টেক্সট মেসেজ! যেখানে ওই চিকিৎসক জানিয়ে রেখেছিলেন, ‘পুলিশ তোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। বলে দিও আমরা স্রেফ বন্ধু।’ এমনটাই দাবি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। ঘটনা বেঙ্গালুরুর (Bengaluru)।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম মহেন্দ্র রেড্ডি। এপ্রিল মাসে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর স্ত্রী ক্রুতিকা রেড্ডির। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, এই মৃত্যু স্বাভাবিক। কিন্তু পরে সন্দেহ বাড়তে থাকে। পুলিশের দাবি, তদন্ত শুরুর পর ধীরে ধীরে জানা যায় পরকীয়া জড়িয়েছেন মহেন্দ্র। তাঁর সঙ্গে এক নার্সের প্রেম ছিল। গত বছরের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মহেন্দ্র। এরপরও তদন্ত ক্রমেই এগিয়েছে। সামনে এসেছে প্রেমিকার সঙ্গে তাঁর চ্যাট। এবং দেখা গিয়েছে প্রচলিত ও জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার না করে ইউপিআই পেমেন্ট অ্যাপে চ্যাট করতেন তাঁরা।

Advertisement

পুলিশের দাবি, অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ শরীরে চালান করে দিয়েই মহেন্দ্র খুন করেন ক্রুতিকাকে। উদ্দেশ্য ছিল বিষয়টিকে সাধারণ হিসেবে দেখানো। প্রাথমিক ভাবে মহেন্দ্রর পরিকল্পনা সফলও হয়েছিল।

এক জায়গায় মহেন্দ্র লিখছেন, ‘এই মেসেজ দেখার পর আর আমাকে মেসেজ বা কল কোরো না। সবদিক সামলে নিয়ে আমিই তোমাকে ফোন করব। হয়তো পুলিশ তোমার কাছে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে। বলে দেবে, আমরা স্রেফ বন্ধু।’ পাশাপাশি কোনও কোনও মেসেজে মহেন্দ্রর বিবেকের তাড়নাও স্পষ্ট হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘আমি কোনও প্রমাণ রাখিনি। কিন্তু ক্রুতিকাকে আমিই মেরেছি। তাই জেলে আমাকে যেতেই হবে। এখন জীবন কাটছে একজন খুনির মতো।’

কীভাবে স্ত্রীকে খুন করেন মহেন্দ্র? পুলিশের দাবি, অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ শরীরে চালান করে দিয়েই তিনি খুন করেন ক্রুতিকাকে। উদ্দেশ্য ছিল বিষয়টিকে সাধারণ হিসেবে দেখানো। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা ক্রুতিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অর্থাৎ প্রাথমিক ভাবে মহেন্দ্রর পরিকল্পনা সফল হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। গ্রেপ্তার হতে হয়েছে তাঁকে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দেখা যাচ্ছে, বহু ডিজিটাল প্রমাণ তিনি লোপাট করে দিয়েছেন। তাঁকে জামিন দেয়নি আদালত। বিচারকদের মতে, যেভাবে মহেন্দ্র প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন, তাতে তাঁকে জামিন দেওয়া বিপজ্জনক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.