Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

‘এবার বোধহয় কাসভ জয়ন্তী পালন করবে সিদ্দারামাইয়া সরকার’

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ কেন্দ্রীয় মনত্রী অনন্তকুমার হেগড়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৭:১৬

options
link
‘এবার বোধহয় কাসভ জয়ন্তী পালন করবে সিদ্দারামাইয়া সরকার’ zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিপু জয়ন্তী ইস্যুতে এবার নয়া হাঙ্গামা কর্নাটকে। ঘটা করে রাজ্যে টিপু জয়ন্তী পালন হয়ে গিয়েছে গত ১০ নভেম্বর। কিন্তু তার রেশ এখনও বর্তমান। এবার সেই বিতর্ক নতুন করে উসকে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্তকুমার হেগড়ে। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে এসে সরাসরি নিশানা সাধলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার দিকে। কটাক্ষের সুরে বলেন, যা মনে হচ্ছে শীঘ্রই রাজ্যে আজমল কাসভ জয়ন্তী পালন করবে সিদ্দারামাইয়া সরকার। জনগণকে সেই দিন পালনে বাধ্য করবে সরকার। এছাড়াও রাজ্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম ধারক কিট্টুর চিন্নাম্মা উৎসব পালন না করে টিপু জয়ন্তী পালনে কংগ্রেস সরকারের বহর দেখে বিস্মিত হেগড়ে। তার জন্যও সিদ্দারামাইয়াকে বিঁধেছেন মন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রসঙ্গত, অনন্তকুমার কর্নাটকের উত্তর কান্নাড়া থেকে পাঁচবারের নির্বাচিত সাংসদ। তবে রাজ্যে বরাবরই কংগ্রেস বিরোধী বলে পরিচিত এই বিজেপি নেতা। ২০১৫ সালে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে টিপু জয়ন্তী পালনের প্রস্তাব উঠতেই তখন থেকেই এর বিরোধিতা করেন কেন্দ্রীয় দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। টিপু সুলতানকে হিংস্র খুনি আখ্যা দিয়ে হেগড়ের মন্তব্য, এহেন মানুষকে গৌরবান্বিত করা ন্যক্কারজনক ঘটনা। গত মাসেও যখন রাজ্যে সর্বত্র টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তী পালনের তোড়জোড় চলছে তখনই রাজ্য সরকারকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এমন কোনও অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর নাম যেন না জড়ানো হয়। এমনকী রাজ্যের আমন্ত্রণেও তিনি যেতে অস্বীকার করেন। বর্তমান কংগ্রেস শাসিত সরকারকে তুলোধোনা করে হেগড়ের তোপ, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির দিকে সিদ্দারামাইয়া উদাসীন। রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তার জন্য অপরাধের মাত্রা লাগামছাড়া হয়েছে। পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁর দাবি, শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই ৯ লক্ষ বাংলাদেশি রয়েছে। এছাড়াও বেলগাঁও, বিজাপুর, হুবলি, ধারওয়াড় ও কিট্টুরের মতো এলাকগুলিতেও বাংলাদেশিদের আধিক্য রয়েছে। তাই সিদ্দারামাইয়াকে তাঁর পরামর্শ, পায়ের নিচে দেখুন, হয়তো বোমা রাখা রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.