Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sheikh Abdul Rashid

শপথ নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন ‘জঙ্গি’ সাংসদ রশিদের, অনুমতি দিল এনআইএ

ওমর আবদুল্লাকে হারিয়েছেন জেলবন্দি নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৪, ১৫:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৪, ১৫:২২

options
link
শপথ নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন ‘জঙ্গি’ সাংসদ রশিদের, অনুমতি দিল এনআইএ zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টেরর ফান্ডিংয়ের অভিযোগে জেলবন্দি শেখ আবদুল রশিদকে লোকসভায় শপথ নেওয়ার অনুমতি দিল এনআইএ। শপথগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি রশিদকে অন্তর্বর্তী জামিন দিতেও রাজি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকে জেলবন্দি রয়েছেন কাশ্মীরের এই নেতা। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাকে সাংসদ হয়েছেন রশিদ।

লোকসভার অধিবেশন শুরুর পরে সব সাংসদই শপথ নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু রশিদ (Sheikh Abdul Rashid) এবং পাঞ্জাবে খাদুর সাহিবের সাংসদ অমৃতপাল সিং জেলে বন্দি থাকায় এখনও শপথ পাঠ করেননি। উল্লেখ্য, শপথ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে দুই সাংসদই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। পাতিয়ালা হাউস কোর্টে আবেদন করেছিলেন বারামুলার সাংসদ রশিদ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নিট ইস্যুতে সরগরম সংসদ, বিরোধী পক্ষের সেনাপতি রাহুলই

তাঁর আবেদনের ভিত্তিতেই আদালত এনআইএর (NIA) মতামত জানতে চায়। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, আগামী ৫ জুলাই সাংসদ পদে শপথ নিতে পারেন প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ার রশিদ। তার জন্য প্রয়োজনীয় জামিনও দিতে আগ্রহী এনআইএ। তবে তার জন্য বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে পারবেন না জায়ান্ট কিলার রশিদ। এনআইএর এই মতামত জানার পরে ২ জুলাই, মঙ্গলবার রশিদের আবেদন নিয়ে নির্দেশ দেবে আদালত।

উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীর আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রশিদ এর আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে লাঙ্গেট কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৯ – দু’বারই লোকসভা (Lok Sabha) নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে অংশ নিলেও জিততে পারেননি রশিদ। এবার হল সেই অসাধ্য সাধন। তাও আবার তিনি নিজে ছিলেন না। তিহারে বন্দি বাবার হয়ে প্রচারের কাজ সামলেছিলেন দুই ছেলে আবরার এবং আসরার রশিদ। অর্থের অভাবে আদৌ মনোনয়ন গৃহীত হবে কিনা, সেই ভেবে প্রথমে প্রচারে নামেননি। মনোনয়ন মঞ্জুর হয়ে যেতে শুরু হয় প্রচার। মাত্র দশদিনের প্রচারেই বাবার হয়ে অসাধ্য সাধন করেন আবরার ও আসরার আহমেদ।

[আরও পড়ুন: চোপড়ার ঘটনাকে ‘শরিয়তি’ আইনের সঙ্গে তুলনা, ‘মমতাদিদি’র দিকে প্রশ্ন ছুঁড়লেন কঙ্গনা

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.