Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
NIA

‘ঘাতক গাড়িতে বোঝাই ছিল IED’, NIA-র হাতে গ্রেপ্তার দিল্লি বিস্ফোরণের ‘ষড়যন্ত্রী’ উমরের সঙ্গী

উমরের সঙ্গে মিলে দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর ষড়যন্ত্র করে এই আমির!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:৪০

options
link
‘ঘাতক গাড়িতে বোঝাই ছিল IED’, NIA-র হাতে গ্রেপ্তার দিল্লি বিস্ফোরণের ‘ষড়যন্ত্রী’ উমরের সঙ্গী zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে নেমে বড় সাফল্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র। আত্মঘাতী জঙ্গি উমরের সহযোগী তথা এই হামলার ষড়যন্ত্রকারী আমির রশিদ আলি নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। জানা যাচ্ছে, যে i20 গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় সেটি আমিরের নামেই নথিভুক্ত। এই মামলার তদন্তভার কাঁধে নেওয়ার পর এটাই এনআইএ-র তরফে প্রথম গ্রেপ্তারি। শুধু তাই নয় এই হামলাকে ‘আত্মঘাতী হামলা’ নিশ্চিত করে এনআইএ জানিয়েছে, ঘাতক গাড়িতে বোঝাই করা হয়েছিল আইইডি বিস্ফোরক।

দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ-র তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, দিল্লিতে জঙ্গি হামলা চালাতে উমরের সঙ্গে বসে গোটা ষড়যন্ত্র সাজিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের পাম্পোরের সাম্বুরার বাসিন্দা আমির। ঘাতক গাড়ি কেনার জন্য সে দিল্লি আসে। আইইডি বোঝাই করে গাড়িটিকে বোমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এরপর সোমবার উমর গাড়ি চালিয়ে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ ঘটায়। ভয়াবহ এই হামলায় ১০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৩২ জন আহত হন। এনআইএর তরফে জানানো হয়েছে, ব্যপক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে রবিবার দিল্লি থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় আমিরকে।

Advertisement

এনআইএ-র তরফে আরও জানানো হয়েছে, আত্মঘাতী হামলা চালানোর লক্ষ্যে কেনা উমরের আরও একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে এনআইএ। গাড়িটিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে তদন্তকারীদের তরফে। দিল্লির বিস্ফোরণের পর এনআইএ-র তদন্তে ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লি ভয়ংকর ওই জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল পেশায় চিকিৎসক উমর উল নবি। আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে শেষ করে এই ফিদায়েঁ জঙ্গি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ পরীক্ষা করে ইতিমধ্যেই উমরের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে আরও জানা গেছে, দিল্লিতে জঙ্গি হামলার চালাতে এই ‘হোয়াইট কলার’ সন্ত্রাসী মডিউলটি গত এক বছর ধরে আত্মঘাতী হামলাকারী খুঁজছিল।

উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ দেশজুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি ও ধরপাকড় শুরু করেছে। তদন্তে নেমে শ্রীনগর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাঁদের বেশিরভাগই কাশ্মীরের। তদন্তকারীদের স্ক্যানারে হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। একে একে সামনে আসছে দেশে ছড়িয়ে থাকা ‘হোয়াইট কলার টেরর’-এর ভয়াবহ তথ্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.