BREAKING NEWS

১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বিজেপির পোষ্য সংস্থায় পরিণত হয়েছে NIA’, আবারও বিস্ফোরক মেহবুবা মুফতি

Published by: Biswadip Dey |    Posted: October 28, 2020 2:13 pm|    Updated: October 28, 2020 3:09 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: NIA তথা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বিজেপির ‘পোষ্য সংস্থা’ বলে তোপ দাগলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti)। বুধবার শ্রীনগরের ১০টি স্থানে তল্লাশি চালায় NIA। তার মধ্যে রয়েছে ইংরেজি দৈনিক ‘গ্রেটার কাশ্মীরে’র দপ্তরও। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই মন্তব্য করলেন মেহবুবা।

সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে আজ জম্মু ও কাশ্মীরের (J&K) বেশ কয়েকটি তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। এদিকে গতকালই কেন্দ্রের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়, যে কোনও ভারতীয়ই এবার এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জমি কিনতে পারবেন। মেহবুবার টুইটে এই দুই প্রসঙ্গই উঠে এসেছে।

[আরও পড়ুন: করোনা বিধি মেনেই বিহারে চলছে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, জোর টক্কর নীতীশ-তেজস্বীর]

তাঁর অভিযোগ, ‘‘বিজেপির ‘অল ইজ ওয়েল’ হেঁয়ালিতে সবথেকে বড় ক্ষতি হয়েছে সত্যের। যে সাংবাদিকরা গোদি মিডিয়ার অংশ হতে চাইবেন না তাঁদেরই টার্গেট করা হবে।’’ জম্মু ও কাশ্মীরের জমি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির উল্লেখ করে তাঁর কটাক্ষ, কেন্দ্রীয় সরকার চায় এই পরিস্থিতিতে সংবাদমাধ্যমগুলি ডায়াবেটিস ও যোগাসন নিয়ে লিখুক।

অন্য একটি টুইটেও আক্রমণাত্মক মেহবুবা দাবি করেন, যারা লাইনে আসতে চাইবে না তাদের ভয় দেখাতে ও হুমকি দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে NIA-কে। তিনি লেখেন ‘‘দুঃখজনকভাবে বিজেপির পোষ্য সংস্থাতে পরিণত হয়েছে এনআইএ।’’ মানবাধিকার কর্মী খুরাম পারভেজ ও ‘গ্রেটার কাশ্মীরে’র দপ্তরে এনআইএ’র হানা প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতকে কীভাবে সরকার অবদমন করতে চাইছে, এটা তার অন্যতম উদাহরণ।

[আরও পড়ুন : বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে CBI তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের]

iye এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরে ফের ৩৭০ ধারা চালুর দাবিতে ফারুখ আবদুল্লার নেতৃত্বে গুপকার ডিক্লেরেশনের যোগ দিয়েছেন মেহবুবা মুফতি। মঙ্গলবার তাঁদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রল্লাদ যোশী। জম্মু ও কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ভারতে থাকার কোনও অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement