সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: রাজ্যে রামনবমীর অশান্তিতে NIA তদন্ত বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের আরজি খারিজ শীর্ষ আদালতে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট করে দেয় যে এসমস্ত ক্ষেত্রে কেন্দ্র স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করতে পারে। তাই তারা তদন্তভার এনআইএ-এর হাতে তুলে দিতে পারে। সংবিধানে তাদের সেই ক্ষমতা দেওয়া আছে।
রামনবমী মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া ও ডালখোলা। অশান্তির রেশ ছিল কয়েকদিন। সেই অশান্তির ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সেই মামলায় রাজ্যের তরফে বলা হয়েছিল, রাজ্যের এই ঘটনায় কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও প্রয়োজন নেই।
[আরও পড়ুন: চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যেতে চান, হাই কোর্টে হলফনামা অভিষেকের]
পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, কে বা কারা এই অশান্তিতে উসকানি দিয়েছে বা লাভবান হয়েছে, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রয়োজন। তদন্তভার নিতে প্রস্তুত বলেও আদালতে জানিয়েছিল NIA। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে যায় রাজ্য। গরমের ছুটির আগে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে হাই কোর্টের নির্দেশ বহাল রাখে শীর্ষ আদালত। এবার চূড়ান্তভাবে তা জানিয়ে দিল আদালত।
রাজ্যের দাবি ছিল, রাজ্য পুলিশ সঠিক পথে তদন্ত করছে। সবক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তদন্তভার গেলে রাজ্য পুলিশের মনোবল ধাক্কা খাবে। পালটা কেন্দ্রের দাবি ছিল, অশান্তিতে বোমা পড়েছে। আর এধরনের বিস্ফোরণের তদন্তে NIA সিদ্ধহস্ত। এদিন প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে দু’পক্ষের সওয়াল জবাব চলে। এরপর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, NIA তদন্ত বহাল রাখার নির্দেশ দেন।
[আরও পড়ুন: আরও ১০ দিন রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজনৈতিক অশান্তি এড়াতে নির্দেশ হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?