BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভাবনাচিন্তার ব্যর্থতার দায় ঈশ্বরের ঘাড়ে! অর্থনীতি নিয়ে নির্মলাকে বিঁধলেন তাঁর স্বামীই

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 5, 2020 12:00 pm|    Updated: September 5, 2020 2:39 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অর্থনীতির দুর্দশার দায় পুরোপুরি ঈশ্বরের উপর ঠেলে দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাঁর দাবি ছিল, করোনা ঈশ্বরের মার। আর এই দৈবদুর্বিপাক বা অ্যাক্ট অফ গডের জন্যই দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে ভারতের অর্থনীতি। কিন্তু নির্মলার সেই যুক্তি এবার খারিজ করে দিলেন তাঁরই স্বামী পরকলা প্রভাকর (Parakala Prabhakar)। তিনি বলছেন, এই  দুর্বিপাক দেবতার নয়, এই দুর্বিপাক কেন্দ্রীয় সরকারের চিন্তাভাবনার। নিজেদের চিন্তাভাবনার দৈন্যতার দায় ঈশ্বরের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্র।

নির্মলার (Nirmala Sitharaman) স্বামী পরকলা প্রভাকর নিজেও নামকরা অর্থনীতিবিদ। তবে বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে বিজেপির বিরোধী শিবিরেই আছেন। গত অক্টোবরেও নিজের লেখা নিবন্ধে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অর্থনীতিতে ঝিমুনি ধরলেও সরকার তা অস্বীকার করছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে এদিন তিনি বললেন, “সব দোষ করোনার ঘাড়ে চাপালে চলবে না। করোনা অনেক পরে এসেছে। অর্থনীতি তাঁর অনেক আগে থেকেই ধুঁকছে। সেই ২০১৯ সালের অক্টোবরেই বলেছিলাম যে সরকার অর্থনীতির বাস্তব ছবিটাকে স্বীকার করতে চাইছে না। কিন্তু জিডিপির ২৩.৯ শতাংশ সঙ্কোচন সেই ভয়াবহ ছবিটাকেই প্রমাণ করে দিল। এর দায় করোনার নয়। এর জন্য দায়ী চিন্তাভাবনার দৈন্যতা।” সরকারের (পড়ুন নির্মলার) কাছে প্রভাকরের অনুরোধ,”দোহাই আপনাদের, এবার কিছু করুন।”

[আরও পড়ুন: মিলবে না মুক্তি, আগামী বছরও দাপট দেখাতে পারে করোনা! আশঙ্কা এইমসের ডিরেক্টরের]

দেশ যে গভীর আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এতদিন তা কিছুতেই স্বীকার করছিল না সরকার। কিন্তু সম্প্রতি জিডিপিতে যে রেকর্ড হারে সঙ্কোচনের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে সরকার আর অস্বীকার করার জায়গায় নেই। কেন্দ্র অর্থনীতির দুরবস্থার কথা নিজেদের মাসিক রিপোর্টে স্বীকার করেছে। কিন্তু বিজেপির নেতামন্ত্রীরা এর দায় চাপাচ্ছেন করোনার উপর। তাঁদের স্পষ্ট কথা, মহামারীর জন্য এই আর্থিক সংকট প্রত্যাশিতই ছিল। খোদ অর্থমন্ত্রীর গলাতেও শোনা গিয়েছে সেই অজুহাতেরই সুর। তবে, এবার নিজের ঘরের লোকই তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement