Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
RMO in medical colleges

মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ফের চালু RMO, শয্যা সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এনএমসির

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরও কিছু নয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৩, ০৯:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৩, ০৯:৫৮

options
link
মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ফের চালু RMO, শয্যা সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এনএমসির zoom
প্রতীকী ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মেডিক‌্যাল কলেজে মেডিসিন বিভাগে ন্যূন‌তম ২২০টি শয‌্যা রাখতেই হবে এবং বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে মেডিক‌্যাল কলেজগুলির মোট শয‌্যাসংখ‌্যা ৭৭০টি করতে হবে। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে দেশের মেডিক‌্যাল শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা এনএমসি (ন‌্যাশন‌াল মেডিক‌্যাল কাউন্সিল)। পুরনো নিয়মে মোট শয‌্যা সংখ‌্যা ছিল ৮৮০টি।

প্রায় দু’বছর আগে ‌এনএমসি আরএমও (রেসিডেন্স মেডিক‌্যাল অফিসার) পদ প্রত‌্যাহারের ঘোষণা করে। কিন্তু সদ‌্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে মেডিক‌্যাল কলেজগুলিতে আরএমও ‌অথবা ক্লিনিক‌্যাল টিউটর পদ ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। এনএমসি-র এই প্রস্তাব ঘিরে চিকিৎসক-অধ‌্যাপক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আরএমও থেকেই বিভাগীয় পরীক্ষা দিয়ে সহকারী অধ‌্যাপক হওয়ার সুযোগ মিলবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগস্টেই মেডিক‌্যাল কলেজগুলিতে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের পাঠ‌্যক্রম শুরু হয়েছে। কয়েকটি মেডিক‌্যাল কলেজে এমার্জেন্সি মেডিসিনে এমডি কোর্সও চালু হয়। কিন্তু নয়া প্রস্তাবে বিষয়টি প্রত‌্যাহার করার কথা বলা হয়েছে। কোভিড (COVID-19) অতিমারী থেকে শিক্ষা নিয়ে সব হাসপাতালে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন বাধ‌্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সব মেডিক‌্যাল কলেজে রিসার্চ রুম(গবেষণাগার) চালু করতে হবে। গবেষণাগারের আয়তন ৮০০ বর্গমিটার।

[আরও পড়ুন: ফের বাড়ল পুজোর অনুদান, বিদ্যুতের বিলেও বড় ছাড়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ]

নতুন এই গবেষণাগারের জন‌্য একজন টেকনিক‌্যাল অফিসার এবং দক্ষ সহকারী কর্মী থাকতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ যৌথভাবে গবেষণার কাজে যুক্ত হবে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে। এনএমসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে আরএমও (RMO) থেকেই বিভাগীয় পরীক্ষা দিয়ে সহকারী অধ‌্যাপক হওয়ার সুযোগ মিলবে। ফলে তিনবছরের বন্ডে যাঁরা এসআর হিসাবে কাজ করছেন তাঁদের পরীক্ষা দিয়েই মেডিক‌্যাল-শিক্ষা বা স্বাস্থ‌্য প্রশাসন বিভাগে যোগ দিতে হবে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি হলেও মেডিক‌্যাল কলেজগুলিতে এতদিন মেডিক‌্যাল কলেজগুলিতে ই-বুক, ই-জার্নালকে মান‌্যতা দেওয়া হত না। নতুন প্রস্তাবে পুরনো সেই নিয়ম থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এনএমসি বলছে, এমবিবিএস পড়ুয়ারা চিকিৎসা বিজ্ঞানের তাৎক্ষণিক তথ‌্য পেতে এবং বইপত্র ইন্টারনেট থেকে পড়তে পারবেন।

NRS মেডিক‌্যাল কলেজের অধ‌্যক্ষ ডা. পীতবরণ চক্রবর্তীর কথায়, ‘‘যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি মেডিক‌্যাল কলেজের পড়ুয়াদের সুবিধা হবে। দামি বই বা জার্নাল ইন্টারনেট থেকেই পড়ে নিতে পারবে। এনএমসির নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, মেডিক‌্যাল কলেজগুলিতে ইন্টারনেট সংযোগ রাখতেই হবে। নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর করতে বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ প্রশাসকমণ্ডলীকে উদ্যোগী হতে বলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘ছেলেটা বিদেশ থেকে ফিরেছে, ওমনি বাবুরা বেরিয়ে পড়েছে’, ইডি হানা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.