BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এনএসজি-র ব্যর্থতায় দেশীয় প্রযুক্তিতেই গুরুত্ব ভারতের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 25, 2016 2:43 pm|    Updated: June 25, 2016 2:43 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যর্থ হল ভারতীয় কূটনীতির জোড়া ফলা৷ নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (এনএসজি) প্রবেশাধিকার চেয়ে একইসঙ্গে তাসখন্দ ও সিওলে সক্রিয়ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন ভারতীয় রাজনীতিক ও কূটনীতিকরা৷ কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হল৷ কাঙ্খিত জয় পেল না ভারত৷ এলিট পরমাণু ক্লাবের দরজা আপাতত বন্ধ রইল ভারতের জন্য৷ তাসখন্দে চিনা প্রেসিডেন্টকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আর্জি, সিওলে ভারতীয় কূটনীতিকদের সক্রিয় প্রচেষ্টা আপাতত ব্যর্থ৷ তবে আপাতত অভিজাত পরমাণু ক্লাবে এন্ট্রি না পাওয়ায় দেশীয় প্রযুক্তির উপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছে ভারত৷

ভারতের সান্ত্বনা দুটি৷ প্রথমত, চিন হাজার চেষ্টা করলেও এনএসজি-র বৈঠকে পাকিস্তানের এন্ট্রি নিয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি৷ পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা দূরে থাক, সিওলের বৈঠকে পাকিস্তানের দাবিকে আমল দেয়নি কোনও দেশই৷ দ্বিতীয়ত, চিনা আপত্তি খারিজ করে সিওলের বৈঠকে ভারতের দাবি নিয়ে ম্যারাথন আলোচনা হয়েছে৷ ৪৮টি সদস্য দেশের মধ্যে ৩৮টি সদস্য দেশের সমর্থন আদায় করে নিয়েছে নয়াদিল্লি৷ যার নিট ফল, আগামী দিনে এনএসজি-র বৈঠকে ভারতের দাবি আরও জোরালোভাবে সামনে আসবে এবং কূটনৈতিক ইঙ্গিত, ভারতের অন্তর্ভুক্তি খুব বেশিদিন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না৷

তাসখন্দে চলতি সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকে ভারতের দাবিকে সমর্থন করতে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আন্তরিক অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ বৃহস্পতিবার সমর্থনের আর্জি নিয়ে চিনের কড়া অবস্থান কিছুটা নরম করতে পেরেছিলেন মোদি৷ মোদি যখন তাসখন্দে চিনের মন গলানোর চেষ্টা করছেন তখন পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরে সিওলে ভারত বিরোধী এনএসজি-র সদস্য দেশগুলিকে বোঝানোর মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রকের শীর্ষ আমলারা৷ কিন্তু তাঁদের দৌত্য ব্যর্থ হয়ে যায়৷ চিন তাদের পুরনো অবস্থানে অনড় থাকে৷

এনএসজি-তে ঢোকার মূল শর্ত ছিল, সেই আবেদনকারী দেশকে এনপিটি (পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি)-তে সই করতেই হবে৷ কিন্তু এনপিটি বৈষম্যমূলক বলে তাতে ভারত কোনওদিনই সই করবে না বলে অনড় অবস্থান নিয়েছিল৷ আর এই সই না করাটাই ভারতের পক্ষে ‘বড় সমস্যা’ হয়ে দেখা দিল৷ কারণ চিন এই ঘটনাকেই ‘টেকনিক্যাল কারণ’ হিসাবে দেখিয়ে ভারতের তীব্র বিরোধিতা করার বিরাট সুযোগ পেয়ে গেল বলে মনে করছেন ভারতীয় কূটনীতিকরা৷ তাঁদের বক্তব্য, এই বিরোধিতাকে পুঁজি করেই ভারতের উচ্চাকাঙ্খায় জল ঢেলে দিতে সমর্থ হয় চিন৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement