Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
D Y Chandrachud

‘গণতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই নিখুঁত নয়’, ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

এই সমস্যার সমাধানের একটি পন্থাও বাতলে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২২, ০৯:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২২, ০৯:৫৮

options
link
‘গণতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই নিখুঁত নয়’, ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য প্রধান বিচারপতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবিধানিক গণতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই নিখুঁত নয়। যার মধ্যে রয়েছে কলেজিয়ামও। এর সমাধান হল, বর্তমান ব্যবস্থাকেই চালিয়ে নিয়ে যাওয়া। এমনই মত প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (D Y Chandrachud)।

২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। তার আগে শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধান বিচারপতি। সেখানেই কলেজিয়াম ব্যবস্থা নিয়ে চলতে থাকা দীর্ঘদিনের বিতর্ক প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতিকে বলতে শোনা যায়, ”সাংবিধানিক গণতন্ত্রে কোনও সংগঠনই নিখুঁত নয়। তবু আমাদের কাজ করতে হয় যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তাকে নিয়েই। সংবিধানে বর্ণিত কাঠামো অনুসরণ করে।” কলেজিয়ামের সমস্ত সদস্যকে ‘বিশ্বাসী সেনা’ বলেও ব্যাখ্যা করেন তিনি। তাঁর পরিষ্কার বার্তা, সমস্ত অপূর্ণতাকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গুজরাটের ন্যানো কারখানায় এখন শুধুই স্তব্ধতা, ফিরে গিয়েছেন বাঙালি কর্মীরা]

উল্লেখ্য, কেন্দ্র ও বিচার বিভাগের মধ্যে কলেজিয়াম নিয়ে টানাপড়েন অনেক দিনের। গত বছরের এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানিয়ে দিয়েছিল, কলেজিয়ামের সুপারিশ পাওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যেই বিচারপতিদের নিয়োগ করতে হবে শীর্ষ আদালতের। সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলেই জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগের দায়িত্ব কলেজিয়ামের। কিন্তু তাদের সুপারিশ সত্ত্বেও আপত্তি জানাতে পারে কেন্দ্র। এই নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এদিন প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

সেই সঙ্গে দক্ষ বিচারক বা বিচারপতি কী করে হওয়া সম্ভব সেপ্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, ”সুবিচার হল সহমর্মিতা, সুবিচার হল মানুষের সমস্যাকে বোঝা। যে বিষয়ের সঙ্গে আপনি একমত নন, সেখানেও এটা বজায় রাখতে হবে। সুবিচারের অর্থই হল একজন অপরাধী কী করে অপরাধী হল তা বুঝতে পারা।”

[আরও পড়ুন: দোষীদের শাস্তি দিতে হবে, ২৬/১১ হামলার বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানকে বার্তা জয়শংকরের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.