Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Marriage

বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সম্পর্ক নেই! বললেন স্ত্রী, মানলেন স্বামীও, শুনে ডিভোর্সে সম্মতি দিল আদালত

বিয়ে হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তা নামেই বিয়ে। বৈবাহিক জীবনে দম্পতির মধ্যে যে ধরনের সম্পর্ক হওয়া উচিত, তা নেই। বিয়ের পর থেকে কোনও রকম শারীরিক সম্পর্কই গড়ে ওঠেনি দু'জনের মধ্যে! আদালতে গিয়ে এই অভিযোগ তুলে বিবাহ-বিচ্ছেদ চেয়েছিলেন স্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ২১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ২১:৪১

options
link
বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সম্পর্ক নেই! বললেন স্ত্রী, মানলেন স্বামীও, শুনে ডিভোর্সে সম্মতি দিল আদালত zoom
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

বিয়ে হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তা নামেই বিয়ে। বৈবাহিক জীবনে দম্পতির মধ্যে যে ধরনের সম্পর্ক হওয়া উচিত, তা নেই। বিয়ের পর থেকে কোনও রকম শারীরিক সম্পর্কই গড়ে ওঠেনি দু’জনের মধ্যে! আদালতে গিয়ে এই অভিযোগ তুলে বিবাহ-বিচ্ছেদ চেয়েছিলেন স্ত্রী। তাঁর মুখে এ কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান বিচারকও! স্বামীর কাছে বিষয়টি জানতে চান তিনি। স্বামীও জানান, স্ত্রীর অভিযোগ সত্যি। এর পর আর কিছু শোনারই প্রয়োজন ছিল না। পত্রপাঠ স্ত্রীর বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদনে সিলমোহর দিয়ে দিলেন বিচারক।

মহারাষ্ট্রের পুণের (Pune) একটি পারিবারিক আদালতের ঘটনা। আদালত সূত্রে খবর, রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়েছিল ওই দম্পতির। কিন্তু স্ত্রীর অভিযোগ, তাঁদের সম্পর্ক কখনও স্বাভাবিক পর্যায় পৌঁছোয়নি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর স্বামী শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অনিচ্ছুক। এ নিয়ে তিনি একাধিক বার স্বামীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ফল হয়নি। স্বামী বরাবর দূরত্ব বজায় রেখেই চলেছেন। বৈবাহিক জীবনের মৌলিক দায়িত্ব পালনেও আগ্রহ দেননি। এতে সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় তিনি বাপের বাড়ি চলে যান এবং তার পরেই দ্বারস্থ হন আদালতের।

Advertisement

মামলার শুনানিতেও স্বামী স্ত্রীর অভিযোগ লিখিত ভাবে স্বীকার করেন নেন। জানান, তাঁদের মধ্যে কখনওই শারীরিক সম্পর্ক ছিল না। স্বামীর এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই তাঁদের বিবাহ-বিচ্ছেদের রায় দেয় আদালত। বিচারক বিডি কদম বলেন, “স্বামীর বয়ানের পর আর সাক্ষ্যগ্রহণ বা জেরার প্রয়োজন পড়েনি। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পথে না হেঁটেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবাহ একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হলেও, তা পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। যদি বৈবাহিক জীবনের মৌলিক উপাদানই না থাকে, তবে সেই সম্পর্কের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.