Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pune

পুণেতে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ, মাথা থেঁতলে খুন বৃদ্ধের! নেতাদের বাড়িতে আসতে ‘না’ নির্যাতিতার বাবার

অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ পথ অবরোধ স্থানীয়দের। অবরুদ্ধ মুম্বই-বেঙ্গালুরু হাইওয়ে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২১:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২১:১৪

options
link
পুণেতে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ, মাথা থেঁতলে খুন বৃদ্ধের! নেতাদের বাড়িতে আসতে ‘না’ নির্যাতিতার বাবার zoom
দেহ উদ্ধারের পর অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

পুণেতে (Pune) চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন! ধর্ষণের অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ-পথ অবরোধ স্থানীয়দের। অবরুদ্ধ মুম্বই-বেঙ্গালুরু হাইওয়ে। এ দিকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে নির্যাতিতার বাবা পষ্ট জানিয়েছেন, মেয়ের ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত যেন কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাঁদের বাড়িতে না আসেন।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের পুণেতে শিশুকন্যাকে লোভ দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অপরাধের পর মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখারও অভিযোগ উঠেছে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে বৃদ্ধের সঙ্গেই শেষবার শিশুকন্যাকে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক নাবালিকাকে নিগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। রয়েছে দু’টি মামলাও। তার মধ্যে একটি পকসো আইনে মামলা।

Advertisement

ঘটনায় মহারাষ্ট্রের সরকার উপর চাপ তৈরি করছে বিরোধী পক্ষ। এই আবহে মৃতার বাবা জানিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক নেতা যেন তাঁর বাড়িতে না আসেন। একটি ভিডিও বার্তায় নির্যাতিতার বাবা বলেছেন, “মেয়ের চিতাভস্ম ভাসাতে দেহুতে এসেছি। আমার অনেক বন্ধু, আত্মীয় জানিয়েছেন, বহু রাজনৈতিক নেতা বাড়িতে দেখা করতে এসেছেন। আমি ও আমার পরিবার অনুরোধ করছি, যতক্ষণ না আমাদের মেয়ে ন্যায়বিচার পাচ্ছে। অপরাধীর ফাঁসি সাজা হচ্ছে, অনুগ্রহ কোনও নেতা যেন আমাদের বাড়িতে না আসেন। আমরা কারও সঙ্গে দেখা করতে চাই না।”

নৃশংস এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে। দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি তুলছেন মহারাষ্ট্রবাসীর একাংশ। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এনসিপি (এসসিপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচার করে অভিযুক্ত ব্যক্তির ফাঁসি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। একই দাবি জানিয়েছেন, এনসিপি (এসসপি) বিধায়ক রোহিত পাওয়ারও। এলাকার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে চার্জশিট পেশ করা হবে। এই ঘটনার পর নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ ও অ্যাসিড হামলার মতো জঘন্য অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড-সহ কঠোর শাস্তির প্রস্তাব করা ‘শক্তি আইন’ কার্যকর করার দাবি উঠেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.