Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
রেল

রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রস্তাব নেই, জল্পনা ওড়ালেন পীযূষ গোয়েল

বাজেটে রেলের বেসরকারিকরণের জল্পনা উসকে দেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯, ২০:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯, ২০:৪২

options
link
রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রস্তাব নেই, জল্পনা ওড়ালেন পীযূষ গোয়েল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রস্তাব নেই। লোকসভায় সাফ জানিয়ে দিলেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। বাজেটের দিনই রেলের বেসরকারিকরণের জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি জানান, আধুনিকীকরণের জন্য যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন তা রেলের নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগের। অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে অনেকেই বেসরকারিকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছিলেন। কিন্তু, এদিন রেলমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন এখনই রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রশ্ন নেই।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রী আসিয়া আনদ্রাবির বাড়ি সিল করল এনআইএ]

সংসদে রেলমন্ত্রীকে রেলের বেসরকারিকরণ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন করা হয়। তাঁর লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানান, “এখনই রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রস্তাব নেই।” শোনা যাচ্ছিল, দিল্লি-লখনউ তেজস এক্সপ্রেসকে বেসরকারি করার মাধ্যমে বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করতে পারে রেল। এদিন, সে সম্ভাবনাও খারিজ করে দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, “এখনও পর্যন্ত কোনও প্যাসেঞ্জার ট্রেনকেও বেসরকারিকরণ করার জন্য সনাক্ত করা হয়নি।” যদিও রেল মন্ত্রক সূত্রের খবর, দিল্লি-লখনউ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেসরকারিকরণের জন্য সত্যিই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কর্ণাটকের রাজনৈতিক নাটকের নয়া পর্ব মুম্বইতে, শিবকুমারকে হোটেলে ঢুকতে বাধা]

উল্লেখ্য, বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সাফ জানান, বয়সের ভারে ন্যুব্জ ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণ ও নয়া পরিকাঠামো নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় ১৫ লক্ষ কোটি টাকা৷ কিন্তু সে তুলনায় রেল আয় করছে নগণ্য৷ ফলে এই বিপুল অর্থ জোগান দিতে প্রয়োজন বেসরকারি বিনিয়োগের৷ তাই এই মুহূর্তে পরিস্থিতির দাবি মেনে ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ’ অত্যন্ত জরুরি৷ বাজেটে সীতারমণ আরও জানান, যাত্রী পরিষেবা ও দেশজুড়ে পণ্য জোগানের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত রেলের পরিকাঠামো নির্মাণ তথা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আনুমানিক খরচ হবে প্রায় ৫০ লক্ষ কোটি টাকা৷ যা শুধু রেলের আয় থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু মুশকিল হল, রেলের আধুনিকীকরণে বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়ে নিশ্চিতভাবে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে হবে সরকারকে৷ আর সেকারণেই হয়তো কিছুটা রয়ে-সয়ে এগোনোর চেষ্টা করছে রেলমন্ত্রক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.