Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Manipur

শীর্ষ নেতৃত্ব চাইলে তবেই ইস্তফা, সাফ জানালেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং

পদত্যাগ নিয়ে জল্পনার উত্তর দিলেন বিরেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৩, ১২:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৩, ১২:১৮

options
link
শীর্ষ নেতৃত্ব চাইলে তবেই ইস্তফা, সাফ জানালেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিংয়ের (Biren Singh) পদত্যাগ নিয়ে নাটক অব্যাহত। মাস দুয়েক হল তিনি ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাব’ মনোভাবে বিরাজ করছেন। এবার জানালেন, যতই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, বিরোধীরাও তাঁর পদত্যাগ দাবি করুন, তথাপি তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছাড়ার কথা ভাবছেন না। তবে কিনা পদ ছাড়তে পারেন, যদি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে নির্দেশ আসে। মণিপুরের জাতিহিংসা নিয়ে ঘরে-বাইরে চাপে থাকা গেরুয়া শিবির কি বিরেনকে সরিয়ে নতুন চাল দেবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে বিরেন সরাতে পারে বিজেপি। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, রাজ্যের মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছেন। “পদত্যাগের প্রশ্ন উঠছে না। তবে কিনা শীর্ষ নেতৃত্ব এবং মণিপুরের জনতা চাইল পদ ছেড়ে দেবে।” রাজ্যে প্রায় তিন মাস ধরে চলা জাতিদাঙ্গায় শ-দেড়েক মানুষের মৃত্যু, একাধিক ধর্ষণের অভিযোগ, অসংখ্য মানুষ ঘরছাড়া হওয়ার পরেও আত্মবিশ্বাসী বিরেন বলেন, “আমি বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের কর্মী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যদিও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্দেশ দেয়, তা আমাকে মানতে হবে। আপাতত আমার প্রধান উদ্দেশ্য হল মণিপুরের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শান্তি ফেরানো। এখন পর্যন্ত কেউ আমাকে পদত্যাগ করতে বলেনি”

Advertisement

[আরও পড়ুন: লোকসভায় হাতছাড়া হতে পারে বাংলার ৩ আসন, আরও পাঁচে জয় নিয়ে সংশয়! চিন্তায় কেন্দ্রীয় BJP]

সাক্ষাৎকারে বিরেন দাবি করেন, রাজ্যের অস্থিরতার জন্য দায়ী অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং মাদক পাচারকারীরা। বলেন, সাধ্য মতো অবৈধ অনুপ্রবেশ রোখার চেষ্টা করছি, এর জন্য একটি কমিটিও গড়া হয়েছে। কুকি এবং মেইতেই-সহ ৩৪টি আদিবাসী গোষ্ঠী মণিপুরের বাসিন্দা। মানুষ এখানে ঐক্যবদ্ধভাবেই বসবাস করেন। কিন্তু কিছু লোক প্রতিবাদের নামে অশান্তি ছড়াচ্ছে রাজ্যে।” খুব তাড়াতাড়ি মণিপুরে শান্তি ফিরবে বলে আশাবাদী মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং।

[আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভার ছাড়পত্রে বিলে পরিণত হল দিল্লি অর্ডিন্যান্স, সংসদে পেশ শীঘ্রই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.