Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Noida

মা-বাবার সামনেই ইঞ্জিনিয়ার স্বামীকে পিটিয়ে খুন স্ত্রীর! নৃশংস হত্যা কাণ্ডের সঙ্গী যুবতীর পরিবার

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিনয় গুপ্ত। বয়স ৩১ বছর। তিনি নয়ডায় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় বছর তিনেক আগে রেখা নামে তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
মা-বাবার সামনেই ইঞ্জিনিয়ার স্বামীকে পিটিয়ে খুন স্ত্রীর! নৃশংস হত্যা কাণ্ডের সঙ্গী যুবতীর পরিবার zoom
Advertisement

স্বামী-স্ত্রীর ঝামেলা। তাতে বাড়িতেই সটফওয়ার ইঞ্জিনিয়ার জামাইকে পিটিয়ে মারল স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা! এলোপাথাড়ি লাথি ঘুষি মারা হল যুবকের মা-বাবার সামনেই। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। যুবকের পরিবারের অভিযোগ বউমা, তাঁর ভাই-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তুলেছে। নয়ডার (Noida) ঘটনা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিনয় গুপ্ত। বয়স ৩১ বছর। তিনি নয়ডায় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় বছর তিনেক আগে রেখা নামে তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দম্পতির দুই জমজ সন্তানও রয়েছে। বিনয়ের মা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন এক সন্তানকে ওষুধ দেওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝামেলা বাঁধে। তর্কাতর্কির পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান রেখা। ১০ মিনিট পর দুই ভাই, বোন, তাঁর বাবা, কাকা ও আরও ২ জনকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তারপরই বিনয়কে মারধর শুরু করেন তাঁরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বাড়িতে আত্মীয় আসার পর তাঁদের জন্য ছোটখাটো খাবারের আয়োজন করতে যান বিনয়ের মা। বিনয়ও তাঁর দুই শ্যালককে জল এগিয়ে দেন। কিন্তু তারপরই সকলে মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। বিনয়ের পরিবারের অভিযোগ, বউমার পরিবারের সদস্যরা বিনয়ের বুকে পেটে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করেন। চলে ঘুষি, লাথি। পরিবারের সদস্য থামাতে গেলেও তা শোনা হয়নি। মৃতের মায়ের আরও দাবি, এই আক্রমণ পূর্ব পরিকল্পিত। রেখা আগে থেকেই ঘরের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়েছিল। মারধরের পর অভিযুক্তরা বেরিয়ে যায়। তারপর এক প্রতিবেশীকে বিনয়কে কাঁধে করে বাইরে নিয়ে আসতে দেখা যায়। বিনয় নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছিলেন না। প্রতিবেশী তাঁকে একটি চেয়ারে বসতে সাহায্য করেছিলেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা জানিয়েছেন যে, বেশ কিছুদিন ধরেই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। তাঁরা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আশা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি অন্য দিকে গড়ায়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনায় রেখা ও আরও ছয়-সাতজন জড়িত রয়েছে। তারা বিনয়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। থানায় অভিযোগ দায়ের পর তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেখা তাঁর দুই ভাই, ও আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক দল গিয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ (১)ও ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.