Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

যতটা প্রয়োজন ততটা টাকা মিলছে না এটিএমে, কেন জানেন?

নোট বাতিলের এতদিন পরেও তাই বেশ খানিকটা ফাঁপরেই পড়ে আছেন সাধারণ মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:৩৪

options
link
যতটা প্রয়োজন ততটা টাকা মিলছে না এটিএমে, কেন জানেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাসের শুরুতে টাকা তুলতে গেলেন এটিএমে। কিন্তু যন্ত্রের ভাঁড়ার বাড়ন্ত। হয় ২০০০ টাকার নোট, নয়তো বিদায় দেওয়া ছাড়া তার আর কোনও গতি নেই। দেখেশুনে জনগণেরও কপালে চিন্তার ভাঁজ। নোট বাতিলের পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক মাস। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। অন্তত এমনটাই দাবি বিভিন্ন শিবিরের। তাহলে এখনও টাকার সংকট কীসের? কেন চাইলেই মিলছে না প্রয়োজনীয় সংখ্যার ও অঙ্কের নোট?

[ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রেখে কৃষকদের ঋণ মকুব করলেন যোগী ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিলছে না কারণ বেশিরভাগ এটিএমেরই অতিকায় পেট আসলে খালি। অর্থাৎ যে পরিমাণ টাকা আসার কথা এখনও তা এসে পৌঁছচ্ছে না। নোট বাতিলের পর পরই এই হাহাকর শুরু হয়েছিল। অনুমান করা গিয়েছিল, কিছুটা সময় গেলে পরিস্থিতি বদলে যাবে। বদলায়নি যে তা নয়, কিন্তু এখনও সংকট আছে ঘোরতর। এটিএমে টাকা মিলছে বটে, কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই তা প্রয়োজনীয় অর্থ জোগান দিতে আপরাগ।

পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এটিএমই কাজ করছে। অর্তা টাকার সংকট দেখা দেওযার সেরকম কোনও কারণ নেই। কিন্তু কোনও এটিএমই পুরোপুরি পূর্ণ করা হচ্ছে না। সাধারণভাবে প্রতিটি এটিএমেম ৩০ লক্ষ টাকা ভর্তি করা যেতে পারে। বদলে দেওয়া হচ্ছে ১০ লক্ষ টাকা। ফলে ব্যাপক পরিমাণে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

এই সংকটের অন্যতম কারণ ১০০ টাকার নোটের ঘাটতি। যে কোনও কারণেই হোক বাজারে ১০০ টাকার নোটের প্রায় দেখা মিলছে না। ফলে এটিএমম গুলিকে ৭০ শতাংশেরও কম ভর্তি করা হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রেখে কৃষকদের ঋণ মকুব করলেন যোগী ]

অর্থবর্ষের শেষের দিকে টাকা তোলার পরিমাণ বেড়ে যায়। সে কারণে সাধারণ এই সময়ে অর্থা মার্চের শেষ বা এপ্রিলের শুরুর দিকে অর্থের ঘাটতি দেখা যায়। এবথর তা মাত্রা ছাড়িয়েছেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর টাকার জোগান যে অনেক কম ছিল, তাও স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে খুচরো সংকট মেটাতে নয়া ২০০ টাকার নোট বাজারে আনায় সবু সংকেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। ফলত খুব শিগগিরি নতুন নোটের দেখা মিলতে পারে। তাতে এই নোট জোগানের ঘটাতি খানিকটা মিটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে যতদিন তা না হচ্ছে ততদিনে বেশ বেকায়দায় পড়েছেন আম আদমি। কেননা একাধিক লেনদেনের উপর ব্যাঙ্ক বাড়তি চার্জ ধার্জ করেছে। অন্যদিকে এটিএমে গিয়েও প্রয়োজনীয় অর্থ মিলছে না। নোট বাতিলের এতদিন পরেও তাই বেশ খানিকটা ফাঁপরেই পড়ে আছেন সাধারণ মানুষ।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.