BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্থগিতাদেশ দিল না দিল্লি হাই কোর্ট, ২২ জানুয়ারিই ফাঁসি হচ্ছে নির্ভয়ার ধর্ষকদের

Published by: Paramita Paul |    Posted: January 15, 2020 3:48 pm|    Updated: January 15, 2020 3:48 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্ভয়াকাণ্ডে মুকেশ কুমারের আরজি খারি্জ করল দিল্লি হাই কোর্ট। চার দোষীর মৃ্ত্যু পরোয়ানার উপর স্থাগিতাদেশ জারি করল না আদালত। নিম্ন আদালতের ফাঁসির নির্দেশে কোনও বিভ্রান্তি নেই বলেই জানিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। তবে চাইলে নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী মুকেশ কুমার নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে। ফলে রাষ্ট্রপতি দয়াভিক্ষার আরজি খারিজ করে দিলেই ২২ জানুয়ারি চারজনের ফাঁসিতে আর কোনও বাধা থাকছে না। এদিকে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে দ্রুত দয়াভিক্ষা আরজি খারিজের আবেদন জানিয়েছ্ন নির্ভয়ার মা।     

মুকেশ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আরজি জানিয়েছে। সেই আরজি এখনও খারিজ করেননি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। আইনজীবী মহলের দাবি, সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ২২ জানুয়ারি তাদের ফাঁসি হওয়া সম্ভব নয়। এদিন শুনানি চলাকালীন দিল্লি সরকারের আইনজীবী আরও জানান, অক্ষয় কুমার সিং ও পবন গুপ্তা এখনও আদালতে ‘কিউরেটিভ’ আরজি জানায়নি। এমনকী রাষ্ট্রপতির কাছেও প্রাণভিক্ষার আরজি জানায়নি। ফলে এরপর তারা যদি ফের প্রাণভিক্ষার আবেদন জানায়, সাজার দিনক্ষণ ফের পিছিয়ে যাবে।

[আরও পড়ুন : আইনি জটিলতায় ২২ জানুয়ারি নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি নিয়ে অনিশ্চয়তা]

মূলত আইনি জটিলতার জেরেই ফাঁসির দিনক্ষণ পিছিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছিল ওয়াকিবহাল মহল। সরকারি আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আজ, বুধবারও যদি প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ হয়, তাহলেও বিভিন্ন নিয়মকানুনের জন্য ১৪ দিন সময় দিতে হবে। ফলে আইনি গেঁড়োয় ২২ তারিখ ফাঁসি কোনওভাবেই সম্ভব হবে না। পাশাপাশি মুকেশ দিল্লি হাই কোর্টে তাদের মৃত্যু পরোয়ানার উপর স্থগিতাদেশ জারির আরজি জানিয়েছে। তার কথায়, রাষ্ট্রপতি যতদিন না তাদের দয়াভিক্ষার আরজি খারিজ করছে, ততদিন তাদের মৃত্যু পরোয়ানার উপর স্থাগিতাদেশ জারি করা হোক। এদিন সেই মামলার শুনানি হয়। এদিকে  রাষ্ট্রপতির কাছে নির্ভয়ার মায়ের অনুরোধ, দোষী সাব্যস্ত মুকেশের আরজি যতদ্রুত সম্ভব খারিজ করা হোক। এই মামলার শুনানি আপাতত স্থগি্ত রেখেছে দিল্লি হাই কোর্ট। বেলা দু’টোর পর ফের শুনানি শুরু হবে। তবে দিল্লি হাই কোর্টে সরকারি আইনজীবীদের সওয়াল ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement