Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Ex-Army Chief's Book

‘ছাড়পত্র’ পায়নি প্রাক্তন সেনাপ্রধানের বিতর্কিত বই, তবু মিলছে বাজারে! এফআইআর দিল্লি পুলিশের

লোকসভায় রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘প্রাক্তন সেনাপ্রধান একটি বই লিখেছেন। বইটি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার কেন সেনাপ্রধানের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভীত?’’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১২:৪৩

options
link
‘ছাড়পত্র’ পায়নি প্রাক্তন সেনাপ্রধানের বিতর্কিত বই, তবু মিলছে বাজারে! এফআইআর দিল্লি পুলিশের zoom
গ্রাফিক্স: অরিত্র দেব।
Advertisement

একটি বই প্রকাশিত হওয়ার আগেই গোটা দেশের চর্চার বিষয়! এবার প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানের ‘অপ্রকাশিত’ বই ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’ অবৈধ প্রচার ও পরিবেশনার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নরবণে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ বইয়ের কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। যার পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।

একাধিক ডিজিটাল নিউজ মাধ্যম এবং সোশাল মিডিয়ায় পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ‘ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি’ বইটির একটি প্রি-প্রিন্ট কপি প্রচার করা হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, বিতর্কিত বইটি প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র এখনও মেলেনি। অভিযোগ, ‘অপ্রকাশিত’ বইটির পিডিএফ অনলাইন প্লাটফর্মে দেখা গিয়েছে। যে বইটি এখনও প্রকাশের ছাড়পত্রই পায়নি, সেটি কীভাবে বাজারে আসতে পারে, এই যুক্তির উপরে এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।

Advertisement

উল্লেখ্য, চিন প্রসঙ্গ তুলে সোমবারের পর মঙ্গলবারও বক্তৃতায় ‘বাধা’ পান কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। লোকসভায় শোরগোলে সাসপেন্ডও করা হয়েছে কংগ্রেসের আট সাংসদকে। নেপথ্যে সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানের ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’। এই বইতে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল চিনের সেনা। সেনাপ্রধান তা জানানোর পরেও নাকি প্রধানমন্ত্রী কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। নারাভানের অপ্রকাশিত বই সম্পর্কে একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে রাহুল গান্ধী পড়া শুরু করলে স্পিকার ওম বিড়লা লোকসভা কার্যবিধির ৩৪৯ (১) ধারা স্মরণ করিয়ে তাঁকে পড়া থেকে বিরত হতে বলেন।

লোকসভায় শাসকপক্ষে প্রবল বিরোধিতার মধ্যে সংসদ চত্বরে রাহুল দাবি করেছেন, ‘‘প্রাক্তন সেনাপ্রধান একটি বই লিখেছেন। বইটি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে সেনাপ্রধানের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার কেন সেনাপ্রধানের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভীত?’’ জানা গিয়েছে, বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল দেশের একটি জনপ্রিয় প্রকাশনা সংস্থার তরফে। তা এখনও হয়নি। প্রায় দেড় বছর ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বইটি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.