সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে যখন জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তখনই এমন একটি সুখবর দিলেন নীতিন গড়করি। বললেন, পেট্রোপণ্যের দাম যখন আকাশছোঁয়া তখন একটা উপায় আছে যার সাহায্যে দাম হু হু করে কমতে পারে। সেই উপায় বাতলেও দিলেন তিনি।
ছত্তিশগড়ের দুর্গ জেলায় একটি উড়ালপুরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন নীতিন গড়করি। সেখানে ওঠে পেট্রোপণ্যের দামবৃদ্ধির প্রসঙ্গ। প্রসঙ্গত পরপর বেশ কয়েকদিন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় প্রাণ ওষ্ঠাগত মধ্যবিত্তের। ডিজেলের দাম ছাড়িয়েছে ৮০ টাকা। পেট্রল তো আরও বেশি। এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন, আদৌ কি কমবে জ্বালানি তেলের দাম? এর উত্তরেই গড়করি জানান, পেট্রোপণ্যের দাম কমাতে গেলে দরকার বিকল্প জ্বালানির। ছত্তিশগড়ে কৃষিকাজ দ্রুতহারে বাড়ছে। ধান, গম ও আখ এখানে প্রচুর। কিন্তু তার পাশাপাশি জৈব জ্বালানি উৎপাদনেও উন্নতি করছে রাজ্য। যাত্রোফা প্ল্যান্টে জৈব জ্বালানি উৎপাদন হচ্ছে। তার সাহায্যে দেরাদুন ও দিল্লির মধ্যে বিমান চলাচল হয়েছে।
[ ফের কাশ্মীরে গুলির লড়াই, নিকেশ ২ জঙ্গি ]
জৈব জ্বালানি বাড়লে অনেকের কর্মসংস্থান হবে। রাজ্যের রাজধানী রায়পুরে একটি জৈব প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এর ফলে বিকল্প জ্বালানির জোগান বাড়বে। আর তারপরই পেট্রোপণ্যের দাম কমবে বলে জানান গড়করি। তাঁর মতে, এখন বাইরে থেকে আমদানি করতে হয় পেট্রল ও ডিজেল। এর জন্য প্রায় আট লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়। সেই খরচ তুলতেই উত্তরোত্তর বাড়ছে তেলের দাম। কিন্তু যদি ১৫টি বছর দেওয়া হয় তাহলেই দেশষে জৈব জ্বালানি তৈরি হবে। তাতে বিমানও উড়বে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকও এই কথাই ভাবছে। তাই দেশে পাঁচটি ইথানল প্ল্যান্ট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ত্রক। সেখানে ধান ও গমের তুষ, আখ ও বর্জ্য পদার্থ থেকে তৈরি হবে জ্বালানি। তাহলে হয়তো একদিন ডিজেলের দাম ৫০ টাকা লিটার আর পেট্রলের দাম ৫৫ টাকা লিটার হওয়া সম্ভব হবে।
[ দূরদর্শনে লাইভ শো চলাকালীন মৃত্যু অতিথির, ভাইরাল ভিডিও ]
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়