Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Supreme Court

সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মুছে ফেলার দাবি, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

সোমবার মামলা ওঠে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৪, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৪, ১৯:৩২

options
link
সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মুছে ফেলার দাবি, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৭৬ সালে সংবিধানের ৪২তম সংশোধনীতে যুক্ত হয় ‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দ দুটি। ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে এই তিন শব্দ বাদ দেওয়ার দাবিতে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার এই মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

মামলা ওঠে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে। এদিন আদালত জানায়, ১৯৪৯ সালের সংবিধানের সঙ্গে ১৯৭৬ সালের প্রস্তাবনার বিশেষ অমিল নেই। প্রধান বিচারপতি খান্না বলেন, ১৯৭৬ সালে সংশোধনীতে ‘সমাজতান্ত্রিক’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটির প্রস্তাব করা হলেও ১৯৪৯ সালের সংবিধানের সঙ্গে তার চরিত্রগত মিল রয়েছে। প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, ভারতে ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দটির অর্থ কল্যাণকর বা ‘সেবামূলক রাষ্ট্র’। অন্যদিকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ হল ভারতীয় সংবিধানের ভিত্তিভূমি। উল্লেখ্য, ভারত রাষ্ট্রের পরিচয় হিসাবে আগে থেকেই সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত ছিল সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক এবং প্রজাতান্ত্রিক, এই তিনটি শব্দ। ১৯৭৬ সালে তার সঙ্গে যুক্ত হয়, নতুন দুটি শব্দ।

Advertisement

প্রধান বিচারপতি যোগ করেন, অন্য দেশের ‘সমাজতন্ত্রে’র সঙ্গে ‘ভারতীয় সমাজতন্ত্রে’র পার্থক্য রয়েছে। ‘কল্যাণকর রাষ্ট্র’ থেকে আমরা সকলেই সুবিধা পাই। প্রত্যেক নাগরিক সমান সুযোগসুবিধা পান। উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী সরকার সংবিধানের ৪২তম সংশোধনী প্রস্তাব আনে। এর জেরে ‘সমাজতন্ত্র’, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, শব্দ দুটি ভারতীয় সংবিধানে প্রস্তাবনায় যুক্ত হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.