Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Corona Virus

করোনা সংক্রমণের জের, ফের পিছিয়ে যাচ্ছে জনগণনা-এনপিআর

প্রক্রিয়ায় সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে সিদ্ধান্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২০, ০৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২০, ০৯:৫৩

options
link
করোনা সংক্রমণের জের, ফের পিছিয়ে যাচ্ছে জনগণনা-এনপিআর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহামারী পরিস্থিতি সমস্ত হিসেব ওলট-পালট করে দিয়েছে। সারা দেশে চলতি বছরেই জনগণনা ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (NPR) প্রথম দফার কাজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি তা আর সম্ভবপর নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন করোনার প্রকোপ যেভাবে গোটা দেশে ছড়িয়ে চলেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এক বছরের জন‌্য জনগণনা ও NPR স্থগিত রাখা হতে পারে। রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। যদিও মোদি সরকার এখনও জনগণনা (Census)-এনপিআরের কাছ স্থগিত রাখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।

বিশ্বের অন‌্যতম বৃহৎ ও জটিল সংখ‌্যাত্বের হিসেব হল ভারতের জনগণনা। ৩০ লক্ষ কর্মী প্রতিটি ঘরে গিয়ে পরিবারের সদস‌্য সংখ‌্যা গণনা করে। বর্তমান অতিমারিতে সেই প্রক্রিয়ার বাস্তব রূপ নেওয়ার কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় সরকারের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে জনগণনা প্রয়োজনীয় বা জরুরি নয়। এটা এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হলেও কোনও ক্ষতি নেই।” তবে আগামী বছর কখন জনগণনা ও NPR করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।

Advertisement

[আরও পড়ুন : নোংরা করোনা হাসপাতালের শৌচাগার, PPE কিট পরে সাফাই অভিযানে খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী]

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জনগণনা ও এনপিআর হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা সংক্রমণের গতি রোধে মার্চের শেষ থেকেই দেশজুড়ে সার্বিক লকডাউন (Lockdown) কার্যকর হওয়ায় জেরে সেই কাজ প্রাথমিকভাবে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। গোটা প্রক্রিয়াটির সঙ্গে যুক্ত ৩০ লক্ষ কর্মী এবং তাঁরা যাঁদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিয়ে কেন্দ্র কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। বর্তমানে গোটা দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ‌্য ৩৫ লক্ষ পেরিয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন ৭৫ হাজারের ঘরে নতুন করে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে এত বড় দেশে কর্মীরা ঘুরেঘুরে জনগণনা করতে পারবেন, এটা মোটেই আশা করা যায় না। তাই এই কাজ এখন কেন্দ্রের প্রাথমিক তালিকায় নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জনগণনার সঙ্গে এনপিআর-এর তথ্য সংগ্রহ করা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কিছু রাজ্য বিরোধিতা করলেও তা এগিয়ে নিতে যেতে বদ্ধপরিকর ছিল কেন্দ্র। ২০১১ সালে জনগণনার সময় গোটা দেশে প্রথম বার এনপিআর-এর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ২০১৫ সালে খসড়া এনপিআরের নবীকরণ হয়। ২০২১ সালে জনগণনার সময়েও ফের এনপিআর নবীকরণের কাজ করার কথা ছিল। তবে করোনা-আবহে তা যে আরও এক বছরের জন্য পিছিয়ে যেতে পারে।

[আরও পড়ুন : পরীক্ষার একদিন আগেও NEET-JEE নিয়ে অনিশ্চয়তা, সুপ্রিম কোর্টে আজ রিভিউ পিটিশনের শুনানি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.