Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

জমা পড়েনি আবেনপত্র, নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম

অসম থেকে বাঙালি সাংবাদিকদের বিতাড়নের ডাক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৮, ১৭:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৮, ১৭:১০

options
link
জমা পড়েনি আবেনপত্র, নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম zoom

মণিশঙ্কর চৌধুরি, শিলচর: অসম তথা কেন্দ্রীয় সরকার এনআরসি ক্রমাগত দাবি করে যাচ্ছে এনআরসির যে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হয়েছে তা নির্ভুল। সংসদে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়ে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং দাবি করেছেন এনআরসি তালিকায় কোনও অস্বচ্ছতা নেই। কিন্তু বাস্তবে চোখে পড়ছে বিস্তর অস্বচ্ছতা বলা ভাল একে একে ঝুলি থেকে বেড়ালগুলো বেরিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ পড়া নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। অসমের রাজ পরিবারের সদস্য থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামী, সাত বছরের খুদে পড়ুয়া থেকে কালাপানিতে শহিদ হওয়া স্বাধীনতা সিপাহী, অপ্রত্যাশিতভাবে নাম বাদ পড়েছে অনেকেরই। এবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন সেরাজ্যের প্রাক্তন তথা একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী আনোয়ারা তৈমুরের নাম। ১৯৮০ থেকে ৮১ পর্যন্ত প্রায় মাস ছয়েক অসমের মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন আনোয়ারা। শুধু অসমের মুখ্যমন্ত্রী নয়, চারবার রাজ্যসভার সাংসদও মনোনীত হয়েছিলেন আনোয়ারা। প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্যক্তি নিজের কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময়ই জনপ্রতিনিধি ছিলেন তাঁর নাম নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যায় কী করে।

[নাগরিকপঞ্জিতে নেই কালিকাপ্রসাদের ভাইঝির নাম, অসমে ভ্রান্তির বহর]

আনোয়ারা তৈমুর স্বাভাবিকভাবেই এনআরসি তালিকায় নিজের নাম না দেখে বিস্মিত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তালিকায় নিজের নাম না দেখে দুঃখ পেয়েছি। চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে আছেন তিনি। এনআরসি তালিকা ভুক্তিকরণের জন্য আবেদন তাঁর করা হয়ে ওঠেনি। আনোয়ারা জানিয়েছেন, “তাঁর এক আত্মীয়কে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা হয়তো আর হয়ে ওঠেনি।” এনআরসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনপত্র না পাওয়ায় আনোয়ারা তৈমুরের বংশলতিকা পাননি তারা। যার ফলে খসড়াতে নাম ঢোকানো যায়নি। শুধু আবেদন করতে না পারায় একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ যাওয়াটাও বাঞ্চনীয় নয়, বলছে বিরোধীরা।

Advertisement

[কালাপানির ইতিহাস অতীত, নাগরিকপঞ্জিতে নাম নেই বাহাদুর গাঁওবুড়ার পরিবারের]

এদিকে, অসমে বাঙালি সাংবাদিকদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে গুয়াহাটির একটি সাংবাদিক সংগঠন। অসম রাজ্যিক সাংবাদিক সংস্থা নামের সংগঠনটির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলার সাংবাদিকরা এনআরসি খসড়া নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর ছড়াচ্ছে। অসম রাজ্যিক সাংবাদিক সংস্থার তরফে সংগঠনের সভাপতি জিতু শর্মা রাজখোয়া এবং সম্পাদক রাতুল বোরা গুয়াহাটিতে একটি বিবৃতি দিয়ে বাংলার সাংবাদিকদের দ্রুত অসম ত্যাগ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ “ যে সময়টাই অসমের জনগণ তথা সংবাদমাধ্যম এনআরসির পাশে রয়েছে সেসময় পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম অপপ্রচার চালাচ্ছে। অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অসমবিরোধী একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে।” আপাতত পশ্চিমবঙ্গের ৫০ জন সাংবাদিক শিলচরে রয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের হুমকির পর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.