Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
এনআরসি চূড়ান্ত তালিকা

প্রকাশিত এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা, নাম বাদ গেল ১৯ লক্ষ মানুষের

কারা কারা বাদ গেলেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯, ১০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯, ১০:৩৭

options
link
প্রকাশিত এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা, নাম বাদ গেল ১৯ লক্ষ মানুষের zoom

মণিশংকর চৌধুরি, গুয়াহাটি: প্রকাশিত হল অসমের নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত সংযোজনী তালিকা। বাদ যাওয়া ৪১ লক্ষ মানুষের মধ্যে নতুন তালিকায় ঠাঁই পেলেন প্রায় ২২ লক্ষ মানুষ। বাদ গেল ১৯ লক্ষ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষের নাম। ফলে এই ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভবিষ্যত এখন অথৈ জলে। শনিবার সকাল ১০ টা ৭ মিনিট নাগাদ প্রকাশিত হয় এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা। চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৩ কোটি ১১ লক্ষ ২১ হাজার ৪ জন ঠাঁই পেয়েছেন।

[আরও পড়ুন: বাদ যাচ্ছে বেশিরভাগ হিন্দু বাঙালির নাম! NRC ইস্যুতে অন্তর্কলহের আশঙ্কায় অসম বিজেপি]

তালিকায় নাম আছে কিনা জানা যাবে এনআরসি সেবাকেন্দ্রে গিয়ে। জেলাশাসকের দপ্তরেও দেখা যাবে এনআরসি তালিকা। এনআরসির ওয়েবসাইট www.assamnrc.nrc.in গিয়ে এআরএন নম্বর টাইপ করেও দেখা যাবে নাম আছে কিনা। আবেনদনকারীদের জন্য বিশেষ টোল ফ্রি নম্বরেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে (অসমের জন্য-১৫০১৭, অসমের বাইরের জন্য ১৮০০৩৪৫৩৭৬২) ।
তালিকায় নাম না থাকলেও অবশ্য এখনই ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে না। রাজ্যজুড়ে এক হাজার ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল খোলা হয়েছে। যেখানে ‘বিদেশি’ তকমাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা গিয়ে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণে তথ্য পেশ করতে পারবেন। এর সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। ৬০ দিনের বদলে ১২০দিন করা হয়েছে। কিন্তু ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল যে খুব স্বস্তি দিতে পারে, তেমনটা নয়। এভাবে নাগরিকত্ব প্রমাণে অনেক আইনি পদ্ধতি রয়েছে। প্রচুর অর্থব্যয়ও হওয়ার আশঙ্কা। তাই আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা দেবে রাজ্য সরকার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নাগরিকত্ব পরীক্ষার ফলাফল, এনআরসিতে নাম না থাকলে ফের দীর্ঘ পথ পরিক্রমা]

এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে থেকেই অবশ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে কড়া নজর রেখেছে প্রশাসন। অসমের ১৪ টি জেলারই একাধিক স্পর্শকাতর জায়গায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। অসম-জুড়ে ৫১ কোম্পানি অতিরিক্ত আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। দফায় দফায় চলছে নাকা-চেকিং। বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ডিজিপি কূলধর শইকিয়া জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালে রেহাই দেওয়া হবে না কাউকে। প্রশাসন তীব্র নজর রাখছে গোটা প্রক্রিয়ার উপর। গ্রামগুলিতে ভিলেজ ডিফেন্স পার্টির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে নিরাপত্তার জন্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.