৮ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ২৬ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: এনআরএস কাণ্ডের জেরে বুধবার সমগ্র রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছেন চিকিৎসকরা৷ সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্ধ থাকছে রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের আউটডোর৷ রাজ্যের এই বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে এবার সরাসরি নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি৷

[ আরও পড়ুন: ‘এই সাফল্য বিশেষ’, অসম লড়াইয়ে সুবিচার পেয়ে আপ্লুত কাঠুয়ার কাণ্ডের আইনজীবীর ]

জানা গিয়েছে, এনআরএস হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকের উপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, উক্ত চিঠিতে সেই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন বহরমপুরের সাংসদ৷ চিকিৎসকদের বিক্ষোভের জেরে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি৷ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরি৷ কেবল প্রধানমন্ত্রী নন, একই চিঠি তিনি লিখেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের মন্ত্রী হর্ষবর্ধনকেও৷

সোমবার রাতে এনআরএসে রোগীমৃত্যুর পর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে ব্যাপক মারধর করে রোগীর পরিজনরা৷ ডোমজুড়ের বাসিন্দা পরিবহ ইটের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে আপাতত চিকিৎসাধীন৷ তাঁর মাথার আঘাত এতই বেশি ছিল যে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে অপারেশন করা হয়৷ অপারেশন পর তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে পরিবহকে৷ ঘটনার পর রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিরাপদ নয়, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার দিনভর দফায় দফায় কর্মবিরতি করে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা৷

[ আরও পড়ুন: লোকসভায় হারের পর এবার রাহুল গান্ধীকে ‘ঘরছাড়া’ করছে কেন্দ্র! ]

বুধবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে সমস্ত আউটডোর পরিষেবাই বন্ধ করেছে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস সংগঠন৷ ফলে এদিন সকাল থেকেই হাসপাতালে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন রোগীরা৷ শহর থেকে জেলা, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালেই একই চিত্র ধরা পড়ছে৷ বিভিন্ন হাসপাতালের আউটডোর গেট রীতিমত তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে৷ কোনওক্রমে মিলছে মিলছে জরুরি পরিষেবা৷ অনেক হাসপাতালে তাও বন্ধ রয়েছে৷ অনেক জায়গায় পথ অবরোধ শুরু করেছেন রোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা৷ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের পক্ষে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং