BREAKING NEWS

২০ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বুধবার ৩ জুন ২০২০ 

Advertisement

বেকার সমস্যা মেটাতে ৫ বছর আগে তৈরি হয়েছিল মন্ত্রক, এখনও জোটেনি স্থায়ী অফিস!

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 30, 2019 5:04 pm|    Updated: July 30, 2019 5:04 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৫ সালে ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘স্কিল ইন্ডিয়া’ মিশন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৈরি হয়েছিল আলাদা দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক। লক্ষ্য ছিল ২০২২ সালের মধ্যে দেশের অন্তত ৪০ কোটি যুবককে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে বেকার সমস্যার সমাধান করা। কেন্দ্রের ধারণা ছিল, বেকারদের প্রশিক্ষণ দিলে তাঁরা যেমন নিজে রোজগার করতে পারবেন তেমনি অন্যদেরও রোজগার দিতে পারবেন। সেসব ঠিকই ছিল। কিন্তু সমস্যা একটাই, নতুন যে মন্ত্রক ২০১৫ সালে তৈরি হয়েছিল, সেই মন্ত্রকের জন্য স্থায়ী কোনও দপ্তরের ব্যবস্থা করেনি কেন্দ্র। সেসময় দপ্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, শিবাজি স্টেডিয়াম চত্বর থেকে দৈনন্দিন কাজকর্ম চালাতে। চার বছর হয়ে গেল, নতুন করে নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, এখনও স্থায়ী অফিস পায়নি দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক।

[আরও পড়ুন: ফাঁদ পেতেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরাই! উন্নাওয়ের নির্যাতিতার দুর্ঘটনায় উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক তৈরির পর কেটে গিয়েছে ৪ বছর। নিজের প্রথম বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ স্কিল ইন্ডিয়ার লক্ষ্যমাত্রা বদলে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের লক্ষ্য অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবসমাজকে দেশের বাইরেও চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। শুধু দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। কিন্তু, মুশকিল হল প্রকল্পের লক্ষ্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে চলে গেলেও এখনও স্থায়ী অফিস জোটেনি আধিকারিকদের। এখনও অস্থায়ী অফিস থেকেই কাজ চালাতে হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: চন্দ্রযান মিশনের মধ্যেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের বেতন কমিয়েছে কেন্দ্র!]

আপাতত সরকারের এই মন্ত্রকটির মোট পাঁচটি অস্থায়ী অফিস আছে। তাও দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে। আধিকারিকরা বলছেন, সামান্য একটি ফাইল স্থানান্তরের প্রয়োজন হলেও একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত ছুটতে হয়। দৈনন্দিন কাজ চালাতে ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে। যার জেরে পড়ে রয়েছে প্রকল্পের অনেক কাজ। অনেকে বলছেন, যে প্রকল্প হাজার হাজার বেকারকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে রোজগার পাওয়ার, সেই প্রকল্পেরই এমন তথৈবচ অবস্থা। একটি অফিস পর্যন্ত নেই। শেষপর্যন্ত যদিও, এই সমস্যা নিয়ে বারবার দরবার করার পর সরকার খানিকটা নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লির চাণক্যপুরিতে একটি স্থায়ী ভবনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু, তারও অগ্রগতি আশানুরূপ নয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement