Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬
One Nation One Election

মেয়াদ কমবে বাংলা-সহ বহু রাজ্যের বিধানসভার! এক দেশ-এক ভোট নিয়ে মেগা পরিকল্পনা কেন্দ্রের

সংসদীয় কমিটির প্রধান বলছেন, 'দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিক সমাজের ৯৯ শতাংশ প্রতিনিধিই চাইছেন, ২০২৯ থেকে ‘এক দেশ-এক ভোট’ নীতি কার্যকর করা হোক।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১২:৪৩

options
link
মেয়াদ কমবে বাংলা-সহ বহু রাজ্যের বিধানসভার! এক দেশ-এক ভোট নিয়ে মেগা পরিকল্পনা কেন্দ্রের zoom
ফাইল ছবি।

২০২৯-এই কার্যকর হয়ে যাবে এক দেশ-এক ভোট! হঠাৎ যেন সেই সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠল। গোয়ায় দু’দিনের বৈঠক শেষে এমনই ইঙ্গিত দিলেন ওই বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পি পি চৌধুরী। তিনি বলছেন, “দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষই চাইছে দ্রুত এক দেশে এক ভোট চালু হোক। এখনও ২০২৯ সালের মধ্যে ওই আইন কার্যকর করা সম্ভব।”

‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। ওই কমিটি দেশের প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিশিষ্টদের মতামত নিচ্ছে। কমিটির মাথায় বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী। আগে তিনি জানান, ২০৩৪ সালের আগে এক দেশ-এক ভোট নীতি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু শনিবার তিনি হঠাৎই অবস্থান খানিকটা বদলে নিয়েছেন। তাঁর ইঙ্গিত, যৌথ সংসদীয় কমিটি চেষ্টা করছে যাতে বাদল অধিবেশনের আগেই রিপোর্ট জমা করা যায়। সেক্ষেত্রে বাদল অধিবেশনে ওই বিল সংসদে পেশ হতে পারে। এবং ২০২৯ সালে কার্যকর করার চেষ্টা করা যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পিপি চৌধুরী সাফ বলে দিচ্ছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিক সমাজের ৯৯ শতাংশ প্রতিনিধিই চাইছেন, ২০২৯ থেকে ‘এক দেশ-এক ভোট’ নীতি কার্যকর করা হোক। ‘এক দেশ–এক ভোট’ নীতি লাগু হলে কমপক্ষে ৭ লক্ষ কোটি টাকা প্রত্যক্ষ সাশ্রয় হতে পারে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের সার্বিক বিকাশের জন্য খরচ করা হলে তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য কার্যকরী হবে।” জানা গিয়েছে, ওই নয়া নীতি চালু হলে সেটা দুটি ধাপে হবে। প্রথমে লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট একসঙ্গে হবে। তারপর ১০০ দিনের মধ্যে সব পঞ্চায়েত ও পুরসভায় ভোট হবে।

প্রশ্ন হল, একসঙ্গে লোকসভা এবং সব রাজ্যের ভোট কীভাবে সম্ভব? যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান বলছেন, “একবার আইন কার্যকর করার দিন ঠিক হয়ে গেলে বিধানসভা নির্বাচনগুলিকে লোকসভার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ২০৩০ থেকে ২০৩৩ পর্যন্ত যে সব রাজ্যের নির্বাচন হওয়ার কথা সেই রাজ্যগুলিকে অল্প মেয়াদি বিধানসভার নির্বাচন করানো হবে। এবং ২০৩৪ সালে লোকসভার সঙ্গে ফের নির্বাচন হবে। রাজ্যগুলির ভোটের আগেই যদি ঠিক করা থাকে, যে বিধানসভার মেয়াদ ১ বছর বা দু’বছর বা তিন বছর তাহলে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার প্রশ্নই নেই।” পিপি চৌধুরী যা বলছেন, সেটা মানতে হলে ২০৩১ সালে বাংলার নির্বাচনও হতে পারে ৩ বছরের মেয়াদের জন্য। অন্য একাধিক রাজ্যে সেটাই হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.