Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

পিঁয়াজ চাষ করেই জ্যাকপট! রাতারাতি কোটিপতি বেঙ্গালুরুর কৃষক

ঋণ নিয়ে পিঁয়াজ চাষ শুরু করেন এই কৃষক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৬:৪৬

options
link
পিঁয়াজ চাষ করেই জ্যাকপট! রাতারাতি কোটিপতি বেঙ্গালুরুর কৃষক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পিঁয়াজের আকাশ ছোঁয়া দামে গেরস্থের নাকাল অবস্থা। দামের ঠেলায় একেবারে বন্ধ না করলেও, পিঁয়াজ খাওয়া কমাতে হয়েছে অনেককেই। পিঁয়াজ না দিয়ে কী করে রান্না করা যায়, এখন সেই উপায় অনুসন্ধানে ব্যস্ত মানুষ। মহার্ঘ‌্য পিঁয়াজের ঝাঁঝে দেশের অর্থনীতি থেকে রাজনীতি সরগরম। কিন্তু এই মূল‌্যবৃদ্ধিই কারও কারও জীবনে ‘সৌভাগ‌্য’ নিয়ে এসেছে। যেমন কর্ণাটকের এক পিঁয়াজ চাষি। ঋণ জর্জরিত এই চাষি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন স্রেফ পিঁয়াজের কারণে।

শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও প্রমাণ করে দেখিয়েছেন ৪২ বছর বয়সী চাষি মল্লিকার্জুন। ভারতের বেঙ্গালুরের এই চাষি ঋণ করে প্রথম পিঁয়াজের চারা কেনেন। সেদিন অনেক বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন তিনি। সেই ঝুঁকির ফল তিনি পাচ্ছেন আজ। কারণ, চাষ শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই পিঁয়াজ তাঁর পরিবারের ভাগ্য পালটে দেয়। দেখা যায় তাঁর জমিতে পিঁয়াজের ফলন হয় প্রচুর। এর পরিমাণ প্রায় ২৪০ টন, অর্থাৎ ২০ ট্রাকের সমান। কাকতালীয়ভাবে বাজারে ঠিক ওই সময়ে পিঁয়াজের কেজি ছিল ২০০ টাকা। সপ্তাহ খানেক আগেই কর্ণাটকের কিছু কিছু অঞ্চলে পিঁয়াজের দাম ‘ডবল সেঞ্চুরি’ করেছিল। আর তখনই পিঁয়াজ বিক্রি করে কোটিপতি হন তিনি। চারা বাবদ মল্লিকার্জুনা বিনিয়োগ করেছিলেন ১৫ লক্ষ টাকা। তাঁর আশা ছিল হয়তো বড় জোর পিঁয়াজ থেকে তাঁর ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকবে। কিন্তু প্রত‌্যাশা ছাড়িয়ে এখন তিনি কোটিপতি।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘জীবিত থেকে ধর্ষকদের দেখতে হচ্ছে না মেয়েকে, এতেই খুশি’, চোখে জল নির্ভয়ার মায়ের ]

বেঙ্গালুরু শহরে মল্লিকার্জুনা এখন রীতিমতো সেলিব্রেটি হয়ে উঠেছেন। তাঁকে নিয়ে সোশ‌্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ছড়াছড়ি। অনেকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। সাফল্যের গল্প শুনতে চাইছেন তাঁরা। মল্লিকার্জুনা বলেছেন, ‘‘আমি আমার সব ঋণ শোধ করে দিয়েছি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একটা বাড়ি করার এবং সঙ্গে জমি কিনে কৃষিকাজে ব্যবহার করা।’’ উল্লেখ্য, তিনি এখন প্রায় ১০ একর জমির মালিক। এই জমিতে কৃষিকাজে নিয়জিত আছে ৫০ জনের মতো কৃষিশ্রমিক।

[ আরও পড়ুন: ভুয়ো নথি দেওয়ার জের, বাতিল আজম খানের ছেলের বিধায়ক পদ ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.