৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীহরিকোটা: একবার ব্যর্থ হয়েছে৷ ত্রুটিবিচ্যুতি সারিয়ে ফের নতুন উদ্যমে চাঁদের মাটিতে নামার তোড়জোড় করেছে চন্দ্রযান-২৷ আগামী ২২ তারিখ দুপুর প্রায় তিনটে নাগাদ ফের চন্দ্রমুখে পাড়ি দেবে ইসরোর নব আবিষ্কৃত যান৷ আর অন্যান্যবারের মতো এবারও তা সচক্ষে দেখতে উৎসাহী মানুষের ভিড়ও কম হবে না৷ সেকথা মাথায় রেখে শুক্রবার থেকে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন চালু হচ্ছে ইসরোয়৷

[আরও পড়ুন: দীর্ঘক্ষণ ছেলেদের নিয়ে আটকে, উদ্ধারের পর অভিজ্ঞতা শোনালেন সন্তানহারা মা]

১৫ তারিখ চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ উপলক্ষ্যে ইসরোর গ্যালারিতে দর্শক সংখ্যা ছিল প্রায় ৫ হাজার৷ দেশের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে সরাসরি এধরনের অভিযানের সাক্ষী থাকা যায়৷ ইসরোর ঠিক কোথায় এই গ্যালারি? কতটা কাছ থেকেই বা সকলের গোচরে আসবে চন্দ্রযানের পাড়ি দেওয়া? জেনে নেওয়া যাক৷ ইসরোর লঞ্চপ্যাড থেকে ঠিক ৫ কিলোমিটার দূরেই এই গ্যালারি৷ এখানে বসে ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকা যায়৷ আসন সংখ্যা ৫ হাজারের কিছু বেশি৷ তবে সবটা পূরণ করা হয় না৷ মূলত শ্রীহরিকোটার আশেপাশের স্কুলগুলির পড়ুয়ারা ইসরোর এই অভিযানের দর্শক৷ কিছু উৎসাহী মানুষও থাকেন৷

শুক্রবার সন্ধে ৬টা থেকে রবিবার পর্যন্ত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে বলে আজ ইসরোর তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে৷ সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের গ্যালারিতে বসে চন্দ্রযান-২ র উৎক্ষেপণ দেখার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন সকলে৷ ১৫ জুলাইয়ের অভিযানেও এভাবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই দর্শকরা পৌঁছে গিয়েছিলেন ইসরোর গ্যালারিতে৷ কিন্তু ব্যর্থ মনোরথেই ফিরতে হয়েছে তাঁদের৷ উৎক্ষেপণের প্রায় ঘণ্টাখানেক আগেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অভিযান বাতিল হয়েছে৷

[আরও পড়ুন: জলবন্দি কাজিরাঙ্গা ছেড়ে গৃহস্থের বিছানায় রয়্যাল বেঙ্গল, তারপর…]

কিন্তু তাতে হতাশার কারণ নেই৷ খুব কম সময়ের মধ্যেই আসল রোগ ধরে তা সারিয়ে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা৷ একটি নয়, সমস্যা সমাধানের দু’দুটি বিকল্প রয়েছে বিজ্ঞানীদের হাতে। এক, মঙ্গলবার রাতে রকেটের হিলিয়াম গ্যাস বোতলের একটি ‘নিপল জয়েন্ট’-এ যে সমস্যার কথা জানানো হয়েছিল, তা ঠিক করতে গেলে জয়েন্টটিকে ‘সিল’ করে অতিরিক্ত ঠান্ডা (মাইনাস ১৮৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে আলাদা করে রাখতে হবে। দুই, রকেটের যন্ত্রাংশগুলিকে বিচ্ছিন্ন না করেই মেরামত করতে হবে ইঞ্জিনটিকে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই দুই কৌশলের মধ্যে দ্বিতীয়টি ছিল অপেক্ষাকৃত কঠিন। তা সত্ত্বেও নিজেদের মেধা, পরিশ্রম দিয়ে সমস্ত ত্রুটি সারিয়ে তুলেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা৷ এবার শুধু সফল উড়ানের অপেক্ষা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং