২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘ভিনরাজ্যে থাকা মানেই শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনের সুবিধা নয়’, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 4, 2020 8:40 am|    Updated: May 4, 2020 8:40 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো নিয়ে এমনিতেই বিস্তর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এবার কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকায় আরও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভিনরাজ্য থেকে শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে সবাইকে রাজ্যে ফেরানো যাবে না। শুধুমাত্র যারা লকডাউনের (Lock Down) জেরে আটকে আছেন, বা সমস্যায় পড়েছেন তাঁদেরই ফেরানো যাবে। যারা স্বচ্ছন্দে অন্য রাজ্যে বাস করছেন, তাঁদের এই ট্রেনের মাধ্যমে ফেরানো যাবে না। যাঁদের শরীরে করোনার উপসর্গ আছে তাঁদেরও রাজ্যে ফেরানো যাবে না।

Shramik-Special

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব (Ministry of Home Affairs) সব রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে জানিয়ে দেন, যে শুধুমাত্র যারা যারা লকডাউনের জেরে অন্য রাজ্যে গিয়ে আটকে পড়েছেন তাঁদের জন্য এই বিশেষ ট্রেন। লকডাউন জারি হওয়ার আগে আগে যারা অন্য রাজ্যে কাজের সুত্রে বা চিকিৎসার প্রয়োজনে গিয়েছেন, তাঁদেরই এই শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনের মাধ্যমে ফেরানো হবে। তীর্থযাত্রীরাও এই বিশেষ ট্রেনের সুবিধা পাবেন। যারা কাজের সুত্রে এখন অন্যরাজ্যেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন কিন্তু লকডাউনের জন্য নিজের রাজ্যে ফিরতে চান, তাঁদের এই ট্রেনের মাধ্যমে ফেরানো যাবে না। আবার যারা লকডাউনের সময় নিজের রাজ্যে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান, তাদেরও এই ‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেনে ফেরানো হবে না।

[আরও পড়ুন: ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন ভাড়া দিতে নারাজ কেন্দ্র’, ‘লজ্জাজনক’ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা]

কেন্দ্র পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানোর কথা ঘোষণা করতেই লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের রাজ্যে ফিরতে চেয়ে আবেদন করেছেন। এঁদের বেশিরভাগই শ্রমিক শ্রেণির। কেউ হয়তো সদ্য ভিনরাজ্যে গিয়েছেন, কেউ হয়তো দীর্ঘদিন ধরেই আছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের এই নয়া নির্দেশিকা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, পরিযায়ী শ্রমিকদের বিশেষ ট্রেনের ভাড়া মেটানোর দায় রাজ্য এবং শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে এমনিতেই ব্যাকফুটে কেন্দ্র। তার উপর এই নতুন নির্দেশিকায় যদি কোনওরকম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, তাহলে তা শাসকদলের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement