Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Prasar Bharati

এটা উত্তর কোরিয়া নাকি! দূরদর্শনের গৈরিকীকরণের অভিযোগে সরব বিরোধীরা, সাফাই প্রসার ভারতীর

শুধু হিন্দি-ইংরাজিতে খবর দেয় পিটিআই, তাই সম্পর্ক ছিন্ন করেছে প্রসার ভারতী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩, ১৬:৫২

options
link
এটা উত্তর কোরিয়া নাকি! দূরদর্শনের গৈরিকীকরণের অভিযোগে সরব বিরোধীরা, সাফাই প্রসার ভারতীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দি ও ইংরেজির মতো মাত্র দু-তিন’টি ভাষায় খবর দেয় পিটিআই (PTI), শুধুমাত্র সেই কারণেই সংবাদসংস্থার সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করেছে বলে জানিয়ে দিল প্রসার ভারতী (Prasar Bharati)। কয়েকদিন আগেই প্রসার ভারতীর তরফে জানানো হয়, কেবলমাত্র আরএসএস ঘনিষ্ঠ হিন্দুস্তান সমাচার থেকেই খবর সংগ্রহ করবে তারা। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশকে উত্তর কোরিয়ার মতো পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের (Congress)। তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে এবার এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিল প্রসার ভারতী।

একটি বিবৃতি জারি করে স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ২০২০ সাল থেকেই প্রসার ভারতীর সঙ্গে যুক্ত আছে হিন্দুস্তান সমাচার (Hindustan Samachar)। তাছাড়াও এই সংবাদসংস্থা মোট ১১টি ভারতীয় ভাষায় খবর সংগ্রহ করতে পারে। অন্যদিকে মাত্র দু-তিনটি ভাষায় খবর সংগ্রহ করে পিটিআই। শুধুমাত্র সেই কারণেই পিটিআইয়ের পরিবর্তে হিন্দুস্তান সমাচার থেকে খবর সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও এই সংবাদসংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক বিজ্ঞাপনও পেয়েছে প্রসার ভারতী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূল কংগ্রেসের টুইটার অ্যাকাউন্টে হ্যাকার হানা, বদলে গেল নাম]

তবে প্রসার ভারতীর প্রাক্তন আধিকারিকদের অনুমান, এই বিষয়টি একেবারেই আকস্মিক নয়। ২০১৭ সাল থেকে প্রসার ভারতীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে হিন্দুস্তান সমাচার। সেই সময় থেকেই পিটিআইকে সরিয়ে আরএসএস ঘনিষ্ঠ সংস্থার সঙ্গে চুক্তির পরিকল্পনা ছিল। অজুহাত হিসাবে বেশ কিছু কারণের উল্লেখ করলেও গোটা বিষয়টিই পূর্ব পরিকল্পিত বলে দাবি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণীশ তিওয়ারির।

অন্যদিকে, প্রসার ভারতীর এহেন পদক্ষপের তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তৃণমূল সাংসদ, প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও জহর সরকার (Jawhar Sircar) বলেন, “এবার একসঙ্গে মিশে যাবে প্রসার ভারতী ও বিজেপি।” দেশকে কি উত্তর কোরিয়ার মতো পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া হবে? প্রশ্ন তেলেঙ্গানা যুব কংগ্রেসের। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarai Vijayan) বলেন, “এহেন সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলির রুখে দাঁড়ানো দরকার।” 

[আরও পড়ুন: দেশের স্বীকৃতিই নেই, তবু রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে হাজির ‘কৈলাসে’র প্রতিনিধি, বিঁধলেন ভারতকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.