Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Orissa train accident

বালেশ্বরে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু! পালটা জবাব TMC’এর

রবিবার বিকেলে বালেশ্বরের দুর্ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যান বিরোধী দলনেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৩, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৩, ২০:১১

options
link
বালেশ্বরে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু! পালটা জবাব TMC’এর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটেছে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। দীর্ঘায়িত হচ্ছে মৃত্যুমিছিল। প্রাণ সংশয়ে আরও অনেকে। দ্রুত তাঁদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সুস্থ, স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর কাজই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এরই মধ্যে বালেশ্বরের দুর্ঘটনাস্থলে (Orissa Train Accident) রবিবার হাজির হয়ে অন্য সুরে কথা বললেন এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলায় ভাল স্বাস্থ্য পরিষেবা নেই বলেই বাধ্য হয়ে এত মানুষ দক্ষিণের রাজ্যে যান চিকিৎসা করাতে। আর সেই কারণে মৃত্যুর মুখে পড়তে হল তাঁদের। দুর্ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে এহেন বিবেচনাহীন মন্তব্যের পালটা জবাবও দিল তৃণমূল। ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) সাফ জবাব, ”আমার দেশ, যেখানে ইচ্ছে চিকিৎসা করাতে যাব। হয় ভারতীয় রেল ঠিক করুক, নইলে পদত্যাগ করুক রেলমন্ত্রী।”

রবিবার বিকেলে বালেশ্বরের (Baleswar) বাহানাগা বাজারে রেল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকাররী। কর্মরত বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে উদ্ধারকাজ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তারপর হাসপাতালে যান আহতদের সঙ্গে দেখা করতে। প্রত্যেকের সঙ্গে কথা চিকিৎসার খোঁজ নেন। পাশে থাকার আশ্বাস দেন। উল্লেখ্য, শনিবার বালেশ্বরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। রবিবার গেলেন শুভেন্দু।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুর্ঘটনায় আটকে পড়াদের জন্য উদ্যোগ, নিখরচায় ওড়িশা থেকে কলকাতা বাস পরিষেবা চালু]

এসবের পর হাসাপাতালের বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন, ওড়িশার হাসপাতাল থেকে কেন ঝুঁকি নিয়ে বাংলার আহত যাত্রীদের রাজ্যে ফেরানো হচ্ছে? সেখানে চিকিৎসার অবস্থা বেহাল। সেই কারণেই এত মানুষকে দক্ষিণে যেতে হয় চিকিৎসা করাতে। আর এই দুর্ঘটনা তাই বাংলার এত মানুষকে মৃত্যুমুখে পড়তে হল। এদিন তাঁর গোটা বক্তব্যের নিশানায় ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। রাজ্য সরকারের এত তৎপরতা সত্ত্বেও সমালোচনা করলেন বিরোধী দলনেতা।

[আরও পড়ুন: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার তদন্ত করুক CBI, সুপারিশ রেলমন্ত্রীর]

আর তাঁর এহেন ভূমিকায় ক্ষুব্ধ শাসকদল। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ”চুনোপুঁটিদের কথার কোনও জবাব দেব না।” রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাফ কথা, ”ওরা ভারতকে ভাগ করতে চায়! আমার দেশ, যেখানে ইচ্ছে চিকিৎসার জন্য যাব। হয় ভারতীয় রেল ব্যবস্থা ঠিক করুক, নইলে রেলমন্ত্রী পদত্যাগ করুক।”

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.