সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মহামারির জেরে দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় কোনও প্রভাব পড়বে না। বৃহস্পতিবার এমনরই আশ্বাস দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সম্প্রতি চিনের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতিতে সেনপ্রধানের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
Indian border troops have always been upholding peace&tranquility along border areas. I can say with confidence that development of infrastructure capabilities along our Northern borders is on track. Our force posture won’t suffer due to COVID pandemic: Army Chief Gen MM Naravane pic.twitter.com/bJbyu3NWaS
Advertisement— ANI (@ANI) May 14, 2020
[আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর, লকডাউনের পরও বাড়ি বসে কাজ]
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেন, “সীমান্তে সব সময় শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে আমাদের জওয়ানরা। আমাদের সীমান্তের উত্তরে পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ জোরকড়মে চলছে। করোনা মহামারির জেরে সীমান্তে সুরক্ষা সুনিশ্চিত করায় কোনও প্রভাব পড়বে না।” চিনা ফৌজের সীমান্ত লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেনারেল নারাভানে বলেন, “মাঝে মাঝে দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে এমন সংঘাত হয়। দুই দেশের মধ্যে চলা সীমা বিবাদই এহেন ঘটনার কারণ। সম্প্রতি লাদাখ ও উত্তর সিকিমে চিনের সেনাদের সঙ্গে দু’টি সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে তা মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সিকিমের নাকু লা সেক্টরে টহলদারি চালানোর সময় ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে অনু্প্রবেশ করে তারা। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান কর্তব্যরত ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। বচসা থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। এর ফলে চিনের সাতজন সেনা ও চারজন ভারতীয় জওয়ান সামান্য জখম হন। এছাড়া, সদ্য লাদাখ সেক্টরে LAC’র কাছে আচমকাই লাল ফৌজের বেশ কয়েকটি সামরিক চপারকে উড়তে দেখা যায়। যদিও তারা ভারতীয় সীমানা লঙ্ঘন করেনি, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সঙ্গে সঙ্গে আকাশে ডানা মেলে ভারতীয় বায়ুসেনার অত্যাধুনিক সুখোই যুদ্ধবিমান। বেশ কিছুক্ষণ পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও শেষে নিজেদের ঘাঁটির উদ্দেশে রওনা দেয় চিনা হেলিকপ্টারগুলি। লাদাখে ভারতীয় ফৌজের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখতে এহেন পদক্ষেপ করে লাল ফৌজ। ওই সেক্টরে সীমা বিবাদ জিইয়ে রেখে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লিকে চাপে রাখতে চাইছে বেজিং।