BREAKING NEWS

২১ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

অযোধ্যায় নাশকতার ছক, উত্তরপ্রদেশে ঢুকেছে পাকিস্তানের সাত জঙ্গি!

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 5, 2019 6:47 pm|    Updated: November 5, 2019 6:47 pm

An Images

ফাইল ফোটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ১৭ নভেম্বর অবসর গ্রহণ করছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তার আগে যে কোনওদিন অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার রায় বেরোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার আরজি জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। সরকারি তদন্ত সংস্থাগুলিকেও সক্রিয় ভাবে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবার কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছেন। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্যদের এবিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করতেও বারণ করেছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদও উসকানিমূলক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে তাদের সদস্যদের। ঠিক এই রকম সময়ে পাকিস্তানের সাত জঙ্গি নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে বলে জানালেন গোয়েন্দারা। এরপরই চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে দেশজুড়ে।

[আরও পড়ুন: বাংলা বললে মিলবে না চাকরি, অঘোষিত নিয়ম বেঙ্গালুরুর আবাসনগুলিতে!]

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ জমি সংক্রান্ত মামলার রায় বেরোনোর পরেই অযোধ্যায় জঙ্গি হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান। আর এর জন্য সাতজনের একটি জঙ্গি দলকে নেপাল হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করিয়েছে তারা। ওই সাতজনের মধ্যে পাঁচজনের নাম জানা গিয়েছে। তারা হল, মহম্মদ ইয়াকুব, আবু হামজা, মহম্মদ শাহবাজ, নিসার আহমেদ ও মহম্মদ কোয়ামি চৌধুরি। এই জঙ্গিরা সবাই ভারতে প্রবেশ করার পর উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, ফৈজাবাদ ও গোরক্ষপুরে লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাই এই তিনটি জায়গার বিভিন্ন অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ে ফের নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই, খতম ২ মাওবাদী]

যদিও এই ধরনের খবরের কোনও সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন উত্তরপ্রদেশের ডিজিপি ওপি সিং। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে সাতজন জঙ্গির উত্তরপ্রদেশের ঢোকার কোনও খবর আমরা পাইনি। তবে জঙ্গি হামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সতর্কবার্তা আমাদের কাছে এসেছে। সেগুলির ভিত্তিতে গোটা রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সীমান্ত এলাকাগুলির পাশাপাশি বাসস্ট্যান্ড ও রেল স্টেশন-সহ বিভিন্ন জায়গায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। যে কোনও রকম পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য তৈরি রয়েছি আমরা। অযোধ্যা মামলার রায় বেরোনোর পর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়ানোর চেষ্টা হলে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হবে।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement