Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

কাশ্মীরে অশান্তি ছড়াতে পাকিস্তানের অস্ত্র হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ

এনআইএ তদন্তে মিলল বিস্ফোেরক তথ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ০৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ০৫:৪৭

options
link
কাশ্মীরে অশান্তি ছড়াতে পাকিস্তানের অস্ত্র হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকে অশান্ত কাশ্মীর। চলছে লাগাতার বিক্ষোভ, পাথর ছোড়া। সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে উপত্যকায় অশান্তিতে ইন্ধন দিচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গিরা।  এনআইএ আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, কাশ্মীরের কমপক্ষে ২৮টি এমন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সক্রিয়, যে গ্রুপগুলি যারা তৈরি করেছে, যারা পরিচালনা করেন, এমনকী গ্রুপের বেশ কয়েকজন সদস্যও পাকি্স্তানের নাগরিক। আর সেই তালিকায় রয়েছে পাক জঙ্গি গোষ্ঠী জামাত-উদ-দাওয়ার জঙ্গিরাও।

[কেন আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দিলেন না, প্রশ্নের মুখে কোবিন্দ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, কাশ্মীরে এখন পাঁচ হাজার মানুষ বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। এঁদের বেশিরভাই স্থানীয় কাশ্মীরি যুবক। তবে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে এমন অনেক মোবাইল নাম্বারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি পাকিস্তানের। বস্তুত, কাশ্মীরের এমন অনেক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সক্রিয়, যেগুলি হয় কোনও পাকিস্তানের নাগরিক তৈরি করেছে অথবা পাকিস্তানের কেউ গ্রুপগুলি পরিচালনা করে। এনআইএ-র এক তদন্তকারী জানিয়েছেন, ‘কাশ্মীরের সক্রিয় হোয়াটসঅ্যাপগুলিতে আমরা পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি মোবাইল নাম্বার শনাক্ত করেছি। যার মধ্যে পাক জঙ্গি গোষ্ঠী জামাত-ইদ-দাওয়ার পোস্টারে দেখা যায়, এরকম বেশ কয়েকটি মোবাইল নম্বারও পাওয়া গিয়েছে। এর থেকেই প্রমাণ হয়, কাশ্মীরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে জামাত-উদ-দাওয়ার যোগাযোগ আছে।’

[OMG! আচমকাই গায়েব হল দেশের ২৪টি সৌধ!]

কাশ্মীরে জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই চলার সময়ে এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে বিভিন্ন উসকানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এআইএ-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই হোয়াটসঅ্যাগ গ্রুপগুলি তৈরি করার মূল উদ্দেশ্যই হল, উপত্যকার যে এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই চলছে, সেখানে গিয়ে বিক্ষোভ ও পাথর ছোড়াতে কাশ্মীরি যুবকদের  উসকানি দেওয়া। প্রসঙ্গত, গত বেশ কয়েক বছর ধরে কাশ্মীরে যখনই জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তবাহিনীর গুলির লড়াই হয়েছে, তখনই ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে একদল কাশ্মীরি যুবক। এনআইএ-র দাবি, এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সুত্র ধরেই পাথর ছোড়াতে অভিযুক্ত ৪৮ জন কাশ্মীরি যুবকের মোবাইল নাম্বার শনাক্ত করা গিয়েছে। এদের বেশিরভাগই দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা। এনআইএ সূত্রে খবর, খুব তাড়াতাড়ি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হবে। বস্তুত, কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হুরিয়ত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানির ছেলে নইম গিলানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

[জলে ভাসল ২৮ কেজির শিলা, পুজোর হিড়িক মথুরায়]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.