Advertisement
Advertisement
পতঞ্জলি

করোনা বধের কিট বানিয়ে বিপাকে রামদেবের পতঞ্জলি, উঠল ‘প্রতারণা’র অভিযোগ

আয়ুশ মন্ত্রকের রোষের মুখে সংস্থা।

Patanjali’s Covid-19 medicine is good thing but there are rules: AYUSH minister
Published by: Sulaya Singha
  • Posted:June 24, 2020 2:00 pm
  • Updated:June 24, 2020 2:00 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা দুনিয়া যার অপেক্ষায় দিন গুনছে, সেই করোনা বধের ওষুধ আবিষ্কার করে ফেলেছে বাবা রামদেবের কোম্পানি পতঞ্জলি। এই আয়ুর্বেদিক ওষুধে কাজ হলে সত্যিই তা দেশ তথা গোটা বিশ্বের কাছে নজির হবে। কিন্তু কেন্দ্রের কিছু নিয়মকানুন আছে। তার বাইরে গিয়ে কোনওকিছুই সম্ভব নয়। তাই ‘করোনিল’কে সম্পূর্ণ খতিয়ে দেখার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। বুধবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় আয়ুশমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। একইসঙ্গে কোম্পানির বিরুদ্ধে ‘প্রতারণা’র অভিযোগ তুলল উত্তরাখণ্ডের আয়ুশ বিভাগ।

মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে ধুমধাম করেই করোনা বধের ওষুধ বাজারে আনার কথা ঘোষণা করেছিলেন যোগগুরু রামদেব। পতঞ্জলির তরফে জানানো হয়, ‘করোনিল ও শ্বাসরি’ নামের দুটি ওষুধ কোভিড রোগীদের উপর পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে। এই ওষুধ প্রয়োগে সুস্থতার হার ১০০ শতাংশ বলে জানায় কোম্পানি। এমনকী রামদেব এও দাবি করেন, দীর্ঘ গবেষণার পরই আয়ুর্বেদকে কাজে লাগিয়ে ওষুধটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এতে তিন থেকে সাতদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন করোনা আক্রান্ত। কিন্তু এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই কেন্দ্রের কোপে পড়ে পতঞ্জলি। আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওষুধ পরীক্ষা করার আগে এর কোনও বিজ্ঞাপন করা যাবে না।

Advertisement

আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে একটি নোটিস জারি করে পতঞ্জলিকে ওই ওষুধের সমস্ত বিস্তারিত তথ্যও জমা দিতে বলা হয়। সেই সঙ্গে উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছ থেকে এই ওষুধ বিক্রির লাইসেন্সের কাগজপত্রও চাওয়া হয়েছে। এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখবে কেন্দ্র। ততদিন পর্যন্ত পতঞ্জলিকে (Patanjali) করোনা বধকারী ওষুধ হিসেবে করোনিলের প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতেই আয়ুশমন্ত্রী এদিন বলেন, “বাবা রামদেব যে দেশের হিতে একটি ওষুধ তৈরি করেছেন, তা খুবই ভাল উদ্যোগ। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এটা আগে আয়ুশ মন্ত্রকের কাছে আসা উচিত। ওরা জানিয়েছে সব রিপোর্ট ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছে। সব খতিয়ে দেখা হবে। তারপর অনুমতি।”

Advertisement

আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ আসার পরই পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন রামদেব। পতঞ্জলির তরফে বলা হয়, “আয়ুর্বেদ নিয়ে কাজ করতে উৎসাহ দিয়েছে কেন্দ্রই। আয়ুশ মন্ত্রকের সঙ্গে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় আগে রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। তবে সব নিয়ম মেনেই কাজ হবে।” এদিকে, উত্তরাখণ্ডের আয়ুর্বেদ বিভাগের দাবি, রোগ প্রতিরোধক ওষুধের নাম করে পতঞ্জলি লাইসেন্স চেয়েছিল। COVID-19 রোগী সুস্থ করে দেবে বলে কিছুই জানানো হয়নি। কীভাবে অনুমতি ছাড়া কিট বানাল তারা, এই মর্মে কোম্পানিকে নোটিস দেওয়া হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ