সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে প্রতিদিন পেট্রল-ডিজেলের (Petrol-Diesel) মূল্যবৃদ্ধি কার্যত রুটিনে পরিণত হয়েছে। আর সেই রুটিন মেনেই বুধবার ফের বাড়ল জ্বালানির দাম। গত ৪মে থেকে এই নিয়ে ২২বার মূল্যবৃদ্ধির সাক্ষী রইল দেশবাসী। বুধবার লিটারপ্রতি ২৩-২৫ পয়সা করে বাড়ল পেট্রল। ২৩-২৭ পয়সা বৃদ্ধি পেল প্রতিলিটার ডিজেলের মূল্য। ক্রমেই সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছে কলকাতায় (Kolkata) পেট্রলের মূল্য।
বুধবার শহরবাসীকে একলিটার পেট্রলের জন্য খরচ করতে হবে ৯৫.৫২ টাকা। লিটারপিছু ২৪ পয়সা বাড়ল দাম। যে গতিতে জ্বালানির দাম বাড়ছে, তাতে পেট্রলে সেঞ্চুরি হাঁকাতে খুব বেশি সময় লাগবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধি হয়ে এদিন ডিজেলের দাম গিয়ে দাঁড়াল ৮৯.৩২ টাকায়। রাজধানী দিল্লিতেও একলাফে ২৫ পয়সা বাড়ল পেট্রলের দাম। সেখানে লিটারপিছু পেট্রল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৯৫.৫৬ টাকা এবং ৮৬.৪৭ টাকা। এদিকে ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে সেঞ্চুরি করে ফেলে পেট্রলের দাম। যা দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার বাণিজ্যনগরীতে প্রতিলিটার পেট্রল ১০১.৭৬ টাকায় এবং ডিজেল মিলছে ৯৩.৮৫ টাকায়।
[আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় বাড়ল দেশের করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা, কমছে অ্যাকটিভ কেস]
একদিকে করোনা (Coronavirus) মহামারীতে বিপর্যস্ত জীবন। অন্যদিকে কাজ হারিয়ে পেটের টান। দেশের আমজনতা যখন আর্থিক দিক থেকে খাদের কিনারে, তখনও জ্বালানির দাম বাড়ছে হু হু করে। অথচ, সরকার নির্বিকার। প্রশ্ন উঠছে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কি ভুলে গিয়েছে সরকার? আশ্চর্যজনকভাবে এসব নিয়ে বিরোধীরাও বিশেষ উচ্চবাচ্য করছে না।
প্রসঙ্গত, জ্বালানি তেলের উপর আলাদা আলাদাভাবে শুল্ক বসায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি কেন্দ্রের বসানো অন্তঃশুল্ক ও কর। করোনার প্রথম ধাক্কা আসার পরপরই কেন্দ্র জ্বালানি তেলের উপর অন্তঃশুল্ক অনেকটা বাড়িয়েছিল। যা পরে আর কমানো হয়নি। বরং কিছু কিছু রাজ্য সরকার নিজেদের মতো পদক্ষেপ করেছে জ্বালানির দাম কমানোর জন্য। কিন্তু তাতে কাজের কাজ খুব একটা হয়নি।
[আরও পড়ুন: করোনা রোগীর কাছে পৌঁছতে এভাবেই খরস্রোতা নদী পেরলেন কোভিড যোদ্ধারা! ছবি ভাইরাল]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন