Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

তৈলক্ষেত্রে লগ্নিই পাখির চোখ, সৌদির সঙ্গে একডজন মউ স্বাক্ষর ভারতের

জ্বালানি জ্বালায় বারবার চোখে জল এসেছে মনমোহন থেকে মোদি সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৩:৩৮

options
link
তৈলক্ষেত্রে লগ্নিই পাখির চোখ, সৌদির সঙ্গে একডজন মউ স্বাক্ষর ভারতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্বালানি জ্বালায় বারবার চোখে জল এসেছে মনমোহন থেকে মোদি সরকারের। বহুবার তেলের বাজারে মধ্য প্রাচ্যের একাধিপত্য ও ‘শেখ’দের খামখেয়ালিপনার খেসারত দিতে হয়েছে বিশ্বকে। তাই ‘তৈলাক্ত বাঁশে বাঁদর চড়া’ অঙ্কের মতোই সমাধান সূত্র খুঁজতে, সৌদিতে বিনিয়োগ সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা একেবারে ফাঁকা হাতে ফেরেননি তিনি। বুধবার দিল্লিতে অবতরণ করার সময় তাঁর ঝুলিতে ছিল একাধিক মউ।

গত বছর থেকেই ভারতের অর্থনীতি যে নিম্নমুখী, একাধিক পরিসংখ্যান ও রিপোর্টে তা পরিষ্কার। বেনজিরভাবে রিজার্ভ ব্যাংকের ভাঁড়ারে হাত দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু শাসকসুলভ আচরণে বরাবরই ‘অল ইজ ওয়েল’ সুর আউড়ে গিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মল সীতারমণ। যদিও ভিতর ভিতর সংকটের তীব্রতা নিয়ে কপালের ভাঁজ গভীর হয়েছে সাউথ ব্লকের। ফলে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বিদেশি লগ্নি টানার উদ্দেশ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব সফর বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রিয়াধ ও নয়াদিল্লির মধ্যে তেল, প্রতিরক্ষা-সহ ১২টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। সৌদি আরবের অত্যন্ত প্রভাবশালী ও বিতর্কিত যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন মোদি।

Advertisement

পাশাপাশি, সৌদি বিদেশমন্ত্রী ফয়সল বিন ফরহান আল সৌদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতে তেল এবং গ্যাসের প্রকল্পগুলিতে সৌদি বড় অঙ্কের লগ্নি করবে। তাঁর দাবি, এই ক্ষেত্রের পরিকাঠামো গড়তে ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ১০,০০০ কোটি ডলার লগ্নির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ভারত। এর আগে এ দেশে ভারতের বিদ্যুৎ, শোধনাগার, পরিকাঠামো, কৃষিক্ষেত্রে ওই পরিমাণ অর্থ লগ্নির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছিল সৌদি আরবও।

উল্লেখ্য, কাশ্মীর নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির সফর কূটনৈতিক দিক থেকেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। চিনের পর পাকিস্তানের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব। সম্প্রতি, প্রায় ধসে পড়া পাক অর্থনীতিকে বাঁচাতে ইসলমাবাদকে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়েছে রিয়াধ। তাই কূটনৈতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে একঘরে করতে সৌদি আরবের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করছেন মোদি। তাঁর সেই চেষ্টা যে আংশিকভাবে সফলও হয়েছে তা ৩৭০ ধারা নিয়ে রিয়াধের প্রতিক্রিয়াতেই সাফ হয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে, আপাতত এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টাই করছেন নমো। তাঁর এই প্রয়াস কতটা সফল হবে তা সময়ই বলবে।

[আরও পড়ুন: শরীরে মিলল পুরুষের ডিএনএ, পাকিস্তানে হিন্দু ছাত্রীর মৃত্যু তদন্তে নয়া মোড়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.