BREAKING NEWS

২৩ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শনিবার ৬ জুন ২০২০ 

Advertisement

শরীরে মিলল পুরুষের ডিএনএ, পাকিস্তানে হিন্দু ছাত্রীর মৃত্যু তদন্তে নয়া মোড়

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 31, 2019 11:27 am|    Updated: October 31, 2019 11:27 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানে হিন্দু ডাক্তারি ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়। কর্তৃপক্ষের দাবি, ডেন্টাল পড়ুয়া ওই হিন্দু ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু, তদন্তে মৃতার পোশাক ও শরীর থেকে সন্দেহভাজন এক পুরুষের ডিএনএ উদ্ধার হয়েছে।

গত মাসে সিন্ধ প্রদেশের লারকানায় বিবি আসিফা ডেন্টাল কলেজের হস্টেল থেকে ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী নম্রিতা চান্দানির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হলেও, তা মানতে নারাজ ছাত্রীর পরিবার। নম্রিতাকে খুন করা হয়েছে বলে তাঁর পরিবারের অভিযোগ। এই মর্মে একটি এফআইআরও দয়ের করে তাঁর। তারপর ওই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয় পাক সরকার। পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমে ৩২ জনকে আটক করে। তাদের মধ্যে ওই ছাত্রীর দু’জন সহপাঠীও রয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, নম্রিতার বাড়ি সিন্ধ প্রদেশের ঘোটকি জেলায়। ওই মাসেই হযরত মহম্মদকে অপমান করার অভিযোগে এক হিন্দু শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপরই শুরু হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা।

লারকানা জেলার পুলিশ অধিকারিক মাসুদ বঙ্গস জানান, ফরেনসিক তদন্তে নম্রিতার দেহ থেকে একটি অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গিয়েছে। এত রিপোর্ট পাওয়ার পরই হত্যা ও ধর্ষণের দিকটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে, করাচির একটি হাসপাতালে চিকিৎসক মৃত ছাত্রীর ভাই। তাঁর অভিযোগ, নম্রিতার গলা ও হাতের জখম থেকে সাফ বোঝা যাচ্ছে যে সে আত্মহত্যা করেনি। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই একটি পাক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, গত ১৮ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিচার বিভাগীয় তদন্তের ভার নেওয়ার জন্য লারকানা জেলা বিচারকের কাছে আবেদন জানায়। কিন্তু মৃত্যুর তদন্তভার নিতে অস্বীকার করেন স্থানীয় আদালতের ওই বিচারক। সূত্রের খবর, অজ্ঞাত পরিচয় লোকের কাছ থেকে হুমকি পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিন্ধ প্রদেশের লারকানা জেলা বিচারক।

[আরও পড়ুন: ব‌্যভিচারের অভিযোগ, উপপত্নীর পর থাই রাজার কোপে ‘হারেম রক্ষী’]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement