Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Ayodhya Ram Mandir

‘শতাব্দীপ্রাচীন ক্ষতে প্রলেপ, আজ গোটা ভারত রামময়’, রামমন্দিরে ধ্বজারোহণে আবেগপ্রবণ মোদি

'অযোধ্যা তথা ভারত এবার আধ্যাত্মবাদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মহাসঙ্গম দেখবে', বলছেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৮:১৬

options
link
‘শতাব্দীপ্রাচীন ক্ষতে প্রলেপ, আজ গোটা ভারত রামময়’, রামমন্দিরে ধ্বজারোহণে আবেগপ্রবণ মোদি zoom

হেমন্ত মৈথিল, অযোধ্যা: অযোধ্যার আকাশে সগর্বে উড়ছে ‘ধর্মধ্বজ’। ধ্বজা উত্তোলন করে আবেগাপ্লুত মোদি। জানিয়ে দিলেন, ”শতাব্দীপ্রাচীন ক্ষত আজ জুড়লো।” সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, আগামী কয়েকশো বছর ধরে উড়তে থাকবে এই নিশান।

বেলা ১১টা ৫০ নাগাদ শুরু হয় ধ্বজারোহণ পর্ব। নিচ থেকে ধীরে ধীরে মন্দিরে সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উঠে যায় ন্যায়ের ধ্বজা। গোটা প্রক্রিয়ার সময়ে আবেগঘন চোখে ধ্বজার দিকে তাকিয়ে ছিলেন মোদি। ধ্বজারোহণ পর্ব শেষ হতেই করজোড়ে নমস্কার করেন। তারপর ফুল উৎসর্গ করেন মোদি-ভাগবত দু’জনেই। পরে সকলের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”শতাব্দীপ্রাচীন ক্ষতে আজ প্রলেপ পড়ল। বহু শতকের যন্ত্রণার অবসান। শতাব্দীর সংকল্প আজ পূর্ণতা পেল। আজ সেই যজ্ঞের সমাপ্তি, যার আগুন ৫০০ বছর ধরে জ্বলছিল। সেই যজ্ঞ এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত হয়নি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই সঙ্গেই মোদি বলেন, ”আজ অযোধ্যা শহর ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার আরও এক শীর্ষবিন্দুর সাক্ষী থাকল। আজ সমগ্র ভারত, সমগ্র বিশ্ব, রামনামে আচ্ছন্ন। প্রতিটি রামভক্তের হৃদয়ে রয়েছে অতুলনীয় তৃপ্তি, সীমাহীন কৃতজ্ঞতা, অপরিসীম আনন্দ।”

এদিন মোদি বলেন, ”অযোধ্যা তথা ভারত এবার আধ্যাত্মবাদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মহাসঙ্গম দেখবে।” পাশাপাশি তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”প্রাণ যায়ে পর বচন না যায়ে…বার্তা দেবে ধর্মধ্বজ। দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াবে সমাজ, সেই বার্তাও দেবে নিশান।”

উল্লেখ্য, গত বছর ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল অযোধ্যার রামমন্দিরে। তবে মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়নি। প্রায় দু’বছর পর মন্দির নির্মাণ শেষ হয়েছে। অর্থাৎ এই মন্দির এবার পুরোপুরিভাবে রামলালার ধর্মীয় আবাসে রূপান্তরিত হবে। এই বিষয়টিকে দ্বিতীয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা বলেও অভিহিত করছেন পুরোহিতদের একাংশ। কারণ ধ্বজারোহণের পর মন্দিরে ৪৪টি দরজাই খুলে দেওয়া হবে ধর্মীয় আচারের জন্য। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.