Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Modi LPG

‘দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে’, যুদ্ধে জ্বালানি সংকট নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে নির্দেশ মোদির

কালোবাজারি রুখতে এবং কড়া পদক্ষেপ করতে রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করেছেন মোদি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধের মধ্যে আমজনতাকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৮:৫৬

options
link
‘দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে’, যুদ্ধে জ্বালানি সংকট নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে নির্দেশ মোদির zoom
বুধবার ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের মধ্যে দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে। বুধবার ক্যাবিনেট বৈঠকে সাফ নির্দেশিকা দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একমাসেরও বেশি সময় ধরে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তার জেরে গোটা বিশ্বে বেড়েছে জ্বালানি সংকট। ভারতেও বেড়েছে বিভিন্ন জ্বালানির দাম। এহেন পরিস্থিতিতে বুধবার ক্যাবিনেট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এলপিজি থেকে শুরু করে আমজনতার নিত্যপ্রয়োজনীয় সরবরাহে যেন সমস্যা না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেও নির্দেশ দিয়েছেন মোদি।

ইরান যুদ্ধ শুরু হতেই গত ১ মার্চ মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা পরিষদের (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি) জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে কেটে গিয়েছে এক মাস। যুদ্ধ থামা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা মন্তব্য করলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামেনি। তার প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। হরমুজ প্রণালীতে বহু জাহাজ আটকে থাকার জেরে টান পড়েছে ভারতের তেল এবং গ্যাস আমদানিতে। এহেন পরিস্থিতিতে আতঙ্ক বেড়েছে আমজনতার মনেও। আগামী দিনে আদৌ গ্যাস মিলবে কিনা, এই ভয়ে সিলিন্ডার ঘিরে চলছে প্যানিক বুকিং। যদিও কেন্দ্রের মতে, জ্বালানি যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে। অহেতুক জ্বালানি সংকটের খবর ছড়ানো হচ্ছে।

Advertisement

মোদি নির্দেশ দিয়েছেন, এলপিজি এবং এলএনজির পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন বজায় থাকে। তেল এবং গ্যাস কেনার পরিধি আরও বাড়ানোর পক্ষেও তিনি জোর দিয়েছেন। ‘নতুন’ কিছু দেশের থেকেও ভারত জ্বালানি কিনছে।

যুদ্ধ একমাস গড়াতে আবারও ক্যাবিনেট কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন মোদি। সেখানে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এলপিজি এবং এলএনজির পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন বজায় থাকে। তেল এবং গ্যাস কেনার পরিধি আরও বাড়ানোর পক্ষেও তিনি জোর দিয়েছেন। ‘নতুন’ কিছু দেশের থেকেও ভারত জ্বালানি কিনছে। সেই সঙ্গে জ্বালানি সম্পদের কালোবাজারি রুখতে এবং কড়া পদক্ষেপ করতে রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করেছেন মোদি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধের মধ্যে আমজনতাকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব। হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে জাহাজ যেন ভারতে আসতে পারে তার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে চেষ্টা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, এখনও হরমুজ সংলগ্ন এলাকায় ২০টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে বলে খবর। যে জাহাজ ফাঁকা রয়েছে, তাতে এলপিজি বোঝাই করা হচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে। ইরানের সহায়তায় সেই জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছলে দেশব্যাপী গ্যাস সংকটের সুরাহা হবে, আশা আমজনতার। এখনও ঘরে ঘরে এলপিজি সরবরাহ নিয়মিত হয়নি। ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুকিং করা যাচ্ছে না। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও নিয়মিত মিলছে না। আমজনতার মনে আতঙ্ক বাড়ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.