Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

SIR-এ নাম বাদে জনরোষ কালিয়াচকে, বিডিও অফিসে ‘বন্দি’ বিচারকরা, প্রশ্নের মুখে কমিশন

১২ নং জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হওয়ায় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা, মালদহে দাঁড়িয়ে বহু ট্রেনও।

Advertisement
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৫:০৯

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৫:০৯

options
link
SIR-এ নাম বাদে জনরোষ কালিয়াচকে, বিডিও অফিসে ‘বন্দি’ বিচারকরা, প্রশ্নের মুখে কমিশন zoom
এসআইআরের নাম বাদের প্রতিবাদে জনরোষ, অগ্নিগর্ভ মালদহের কালিয়াচক। নিজস্ব ছবি

ভোটার তালিকায় নাম না ওঠায় জনরোষ আছড়ে পড়ল এসআইআরের (SIR in West Bengal) কাজে যাওয়া বিচারকদের উপর। এর জেরে রাতদুপুরে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মালদহের কালিয়াচক (Kaliachak)। অভিযোগ, বিক্ষোভকারী জনতা দীর্ঘক্ষণ ধরে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখেন সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা-সহ ৩ জন বিচারক। এঁদের ঘিরেই চলে বিক্ষোভ। ১২ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা থমকে যানচলাচল। এমনটা বেশিক্ষণ চললে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। এত উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ। আর সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন। এসআইআরের কাজ করতে যাওয়া বিচারকদেরও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ কমিশন, এমন অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এনিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যে সুষ্ঠুভাবে ভোটপর্ব সম্পন্ন করতে এবার রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী জেলায় জেলায় মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের মাসখানেক আগে থেকেই তাঁরা এখানে রয়েছেন। তারপরও কালিয়াচকে এত বড় অশান্তির ঘটনায় কোথায় ছিল বাহিনী? এই প্রশ্ন উঠছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, নাম বাদের প্রতিবাদে কালিয়াচকে এই বিক্ষোভ চলছিল বুধবার বিকেল থেকে। যত সময় গড়িয়েছে, তত বিক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে। এই অবস্থায় বিক্ষোভের মাঝে পড়ে আটকে যান এসআইআরের কাজে যাওয়া ৭ জুডিশিয়াল অফিসার। কালিয়াচক ২ ব্লকের বিডিও অফিসে তাঁরা বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম নিষ্পত্তির কাজ করছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, সন্ধ্যের পরও তাঁদের বেরতে দেওয়া হয়নি। উন্মত্ত জনতা তাঁদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গেই আঙুল উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। ঘটনাটি রাতেই হাই কোর্টকে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে ৭ জুডিশিয়াল অফিসার। নিজস্ব ছবি

রাজ্যে সুষ্ঠুভাবে ভোটপর্ব সম্পন্ন করতে এবার রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী জেলায় জেলায় মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের মাসখানেক আগে থেকেই তাঁরা এখানে রয়েছেন। তারপরও এত বড় অশান্তির ঘটনায় কোথায় ছিল বাহিনী? এই প্রশ্ন উঠছে। এনিয়ে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী তথা শাসকদলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, ”কালিয়াচকে যা ঘটেছে, যেভাবে কিছু মানুষ আইনশৃঙ্খলা হাতে তুলে নিয়েছে, তার জন্য আমরা মনে করি, পুরোপুরি নির্বাচন কমিশন দায়ী। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস কখনও কোনও বিশৃঙ্খলাকে সমর্থন করে না। আমরা আইনের মধ্যে থেকে যা করার, করতে চাই। এই ঘটনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের উসকানিতে ঘটেছে। শোনা গিয়েছে, ওখানে কয়েকজন সাংবাদিককেও হেনস্তা হতে হয়েছে। তাঁদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, তৃণমূলের দালাল। বোঝাই যাচ্ছে, এই কাজ তৃণমূল ছাড়া বাকিদের। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তো পুরো বদলে দিয়েচে কমিশন। তাহলে তাদের পুলিশ কোথায় ছিল, কেন ঘটনা আটকাতে পারেনি, সেই প্রশ্ন তো আমরা করব। এটা পুরোপুরি বিজেপির প্লট। যাঁরা নাম বাদের প্রতিবাদ করছে, তার জন্য দায়ী কে? নির্বাচন কমিশন। তারাই তো এসআইআর করে নাম বাদ দিয়েছে। কিন্তু তাই বলে আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়াকে তৃণমূল সমর্থন করে না।”

রাত যত গড়িয়েছে, ১২ নং জাতীয় সড়কের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে ক্রমশ। লরি ও অন্যান্য গাড়ি আটকে জাতীয় সড়কে অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। রেল সূত্রে খবর, এই বিক্ষোভের জেরে উত্তরবঙ্গগামী বহু ট্রেন রাতে মালদহে আটকে পড়েছে। সূত্রের খবর, ঘটনার কথা জেনেই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন মালদহের পুলিশ সুপার। এদিকে,কালিয়াচকের এই ঘটনা কমিশনের কানে যেতেই তৎপর হয়ে উঠেছেন কমিশনের কর্তারা। মালদহের জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.