BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাখির চোখ ‘আত্মনির্ভর ভারত’, স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান মোদির

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 22, 2020 9:34 pm|    Updated: July 22, 2020 9:38 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মহামারীর সঙ্গে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব। ভয়াবহ আর্থিক মন্দার ইঙ্গিত দিচ্ছে একের পর এক আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি। এহেন পরিস্থিতিতে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়াই যে লক্ষ্য, তা ‘ইন্ডিয়া আইডিয়াস সামিটে’ ফের স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

[আরও পড়ুন: কাটমানির অভিযোগের ৯৩ শতাংশ নিষ্পত্তি হয়েছে, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর]

লাদাখে চিনের সঙ্গে সংঘাত ও করোনা আবহে বুধবার ভারতীয় সময় রাত ৯ টায় ‘ইন্ডিয়া আইডিয়াস সামিট’-এ বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের বক্তাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিং সান্ধু, মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেন জেস্টার-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। উল্লেখ্য, বর্তমানে যেদিকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাচ্ছে, তাতে বিশ্ব রাজনীতির আঙিনায় বারবার মার্কিন সমর্থন এসেছে ভারতের কাছে। লাদাখে লালফৌজের আগ্রাসন নিয়েও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। লাদাখে ভারতীয় সেনা যখন চিনের লালফৌজের সঙ্গে লড়েছে, তখনও মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে ফোন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। আর এমন এক কূটনৈতিক ময়দানে আজ আয়োজিত হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সামিট, যার আয়োজক মার্কিন-ভারত বিজনেস কাউন্সিল। এই সম্মেলন ভারচুয়ালি আয়োজিত হয়েছে মার্কিন চেম্বার অফ কমার্সের সহযোগিতায়।

এদিন নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্র বলেন, “আত্মনির্ভর ভারতের ডাক দিয়ে একটি সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান দিচ্ছে ইন্ডিয়া। এর জন্য আমরা আপনাদের সহযোগিতা আশা করছি। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে মজবুত করে, শিল্প ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা যায় এবং বিশ্বে বাণিজ্যিক পদক্ষেপও করা সম্ভব।” এদিন, প্রধানমন্ত্র আরও বলেন, “বিশ্বে নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠছে ভারত। তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রেই আমি একটি উদাহরণ দিচ্ছি। এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলগুলিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি। ভারত আপনাদের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। তাই আপনার এই সুযোগ ব্যবহার করুন। ভারত ও আমেরিকার বন্দুত্ব আগেও অনেক দূর এগিয়েছে। আর এই সম্পর্ক যাতে ভবিষ্যতে করোনা পরবর্তী সময় বিশ্বকে ভাল দিক এনে দেয়, তার চেষ্টা করা হোক”

বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্যর চাইতেও করোনা ও চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে এই সম্মেলনে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও মজবুত হল। এর ফলে বেজিংকে অর্থনীতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে ঠেকাতে একযোগে কাজ করার দিকে আরও এফিয়ে গিয়েছে নয়াদিল্লি। পুরনো বন্ধু রাশিয়ার উদ্বেগ না বাড়িয়ে আমেরিকার সঙ্গে এখনই সরাসরি বড় কোনও সামরিক চুক্তি করতে চাইছে না ভারত। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরোক্ষে বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছে দুই দেশ।

[আরও পড়ুন: লালগড় থানা থেকে অস্ত্র চুরি করে মাওবাদীদের পাচার, বিহার থেকে গ্রেপ্তার লিংকম্যান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement