Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাও

লালগড় থানা থেকে অস্ত্র চুরি করে মাওবাদীদের পাচার, বিহার থেকে গ্রেপ্তার লিংকম্যান

মালখানা থেকে চুরি হয় ১৮টি বন্দুক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২২, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২২, ১৫:০৩

options
link
লালগড় থানা থেকে অস্ত্র চুরি করে মাওবাদীদের পাচার, বিহার থেকে গ্রেপ্তার লিংকম্যান zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

অর্ণব আইচ: মেদিনীপুরের লালগড় থানার মালখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র চুরি করে তা পাচার করা হয়েছিল মাওবাদীদের হাতে। মাওবাদীদের অস্ত্র পাচারকারী রবিকান্ত শর্মাকে বিহার থেকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। এই ব্যক্তি মাওবাদীদের লিংকম্যান বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। কিছুদিন আগে এসটিএফ আধিকারিকরা চিরঞ্জীবী ওঝা নামে এক মাওবাদী লিংকম্যানকে গ্রেফতার করেন। তাকে জেরা করে বিহারের ঔরঙ্গাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রবিকান্তকে।

[আরও পড়ুন: অন্ডালে রাস্তার ফাটল দিয়ে বেরচ্ছে ধোঁয়া, হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ি]

রাজ্য পুলিশের এসটিএফের এক কর্তা জানান, ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে এখনও পর্যন্ত দুটি বন্দুক উদ্ধার করা গিয়েছে। তাকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রাতভর তল্লাশি চলছে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা ধরা পড়লে আরও বেশ কিছু অস্ত্রের সন্ধান মিলবে। এই ঘটনায় এর আগে গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই পুলিশকর্মীও।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ মাওবাদীদের ডেরা থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করে। সেই অস্ত্রগুলি রাখা হয়েছিল লালগড় থানার মালখানায়। এ ছাড়াও ভোটের আগে এলাকার যে বাসিন্দাদের বন্দুকের লাইসেন্স রয়েছে, তাঁদের অস্ত্র জমা দিতে হয় থানায়। সেগুলিও মালখানায় ভিতর ছিল। সবার অজান্তেই ধীরে ধীরে মালখানার ভেতর থেকে মোট ১৮টি বন্দুক চুরি হয়ে যায়। গত বছরের শেষের দিকে মেলানো হতে শুরু করে বন্দুকের তালিকা। তখনই মাথায় হাত থানার আধিকারিকদের। মালখানা থেকে ১৮টি বন্দুক চুরি হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। লালগড় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। জানা যায়, ওই সময় লালগড় থানায় মালখানা দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর তারাপদ টুডু। পরে তিনি জামবনি থানায় বদলি হয়ে যান। তারাপদ টুডুকে টানা জেরার পর জানা যায়, তিনি মালখানা থেকে অস্ত্রগুলো সরিয়েছেন। লক্ষ্মীরাম রানা নামে থানার এক এনভিএফ কর্মীর মাধ্যমে সেগুলি পৌঁছে যায় রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার দুই ব্যক্তি দিলীপ ও সুধাংশুর কাছে। তারা এই অস্ত্রগুলি ঝাড়খন্ড ও বিহারের কয়েকজন লিংকম্যানের মাধ্যমে পাচার করত মাওবাদীদের হাতে। গোয়েন্দারা সেরকমই একজন পাচারকারী চিরঞ্জীবী ওঝাকে গ্রেপ্তার করেন হাজারিবাগ থেকে। সে জানায়, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বহু মাওবাদী সদস্যের কাছে রয়েছে এই অস্ত্রগুলি। তাঁকে জেরা করেই বিহারের ঔরঙ্গাবাদ এর ফাঁদ পাতেন গোয়েন্দারা। বুধবার সেই ফাঁদে পা দেয় অভিযুক্ত রবিকান্ত। তার কাছ থেকেই দুটি অস্ত্র উদ্ধার হয়। এই লিংকম্যানদের মাধ্যমে মাওবাদীদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে ‘কুরুচিকর মন্তব্য’, রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ তৃণমূল নেত্রীরা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.