সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে হামলাকারী ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীরা ছাড় পাবে না। আরও একবার জোর গলায় হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, সন্ত্রাসবাদীদের শাস্তি দিতে ভারত সরকার বদ্ধপরিকর। ভারত-অ্যাঙ্গোলা দ্বিপাক্ষিক সাংবাদিক সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রীর মুখে উঠে এল পহেলগাঁও প্রসঙ্গ।
এই মুহূর্তে ভারতে রয়েছেন অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রপতি জোয়াও লরেন্সু। তাঁকে পাশে বসিয়েই প্রধানমন্ত্রী বললেন, “সন্ত্রাসবাদ মানবতার সবচেয়ে বড় শত্রু। আমরা সন্ত্রাসবাদী এবং সন্ত্রাসে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর এবং দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” একই সঙ্গে পহেলগাঁও হামলার পর যেভাবে অ্যাঙ্গোলা ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সেজন্য সেদেশের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বস্তুত, মোদি বারবার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সন্ত্রসদমনে চেষ্টার কোনও কসুর ভারত সরকার করবে না। হামলার দুদিন বাদেই বিহারের এক সভা থেকে তিনি দৃপ্তকণ্ঠে বলে দেন, মুখ বুঝে সন্ত্রাস সহ্য করার দেশ ভারত নয়। জঙ্গিদের শনাক্ত করে, খুঁজে বের করে শাস্তি দেবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলে দেন, “ভারতের আত্মায় আঘাত করার দুঃসাহস যারা দেখিয়েছে, তারা ছাড় পাবে না। পৃথিবীর যে প্রান্তেই লুকিয়ে থাক, তাদের খুঁজে বের করে মারবে ভারত।” শুধু তাই নয়, যারা এই সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেয়, যারা আড়াল থেকে সাহায্য করে, তাদের যেটুকু অস্তিত্ব অবশিষ্ট আছে, সেটাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সেই হুঁশিয়ারির পর ভারত একাধিক পদক্ষেপ করেছে। তবে এখনও পহেলগাঁও হামলার মূল অভিযুক্তরা মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে। আবার সন্ত্রাসে মদতের অভিযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপও করছে নয়াদিল্লি। তবে এখনও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বা মদতদাতা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনওরকম সামরিক পদক্ষেপ করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ফের প্রধানমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
সর্বশেষ খবর
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা
-
অতি ঘনিষ্ঠতাতেই ভাঙছে সেতু! সম্পর্ক বাঁচাতে দূরত্ব প্রয়োজন, বলছেন মনোবিদরা
-
একমাসে দু’বার মাইনে! অভিনব আইডিয়া উদ্যোগপতির, কতটা উপকৃত হবেন কর্মীরা?
-
ফেডারেশনের বৈঠকে ইট থেকে ডিমবৃষ্টি, টলিপাড়ায় ধুন্ধুমারে কাকে দায়ী করলেন রুদ্রনীল?